রাঙ্গাবালীতে শীলা মৃত্যু মামলার প্রধান আসামি স্বামী রাসেল কেরানীগঞ্জে গ্রেফতার

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ফারহানা ইয়াসমিন শীলার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি স্বামী রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাসেলের গতিবিধি ও অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এ সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হলে  মঙ্গলবার দুপুরে এসআরবি-১০ তাকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে। রাসেলকে রাঙ্গাবালী থানায় নিয়ে আসার জন্য পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।’

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাঙ্গাবালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামিউল ইসলাম বলেন, ‘এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ সহায়তায় রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জানা যায়, সোমবার সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাসেল। জামিন নেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি ঢাকায় যাচ্ছিলেন বলে ধারণা পুলিশের। পরে ওই ধারণা থেকেই  তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়।’

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের বাহেরচর বাজার এলাকার নিজ বসতঘর থেকে ফারহানা ইয়াসমিন শীলার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা করা হয়। পরে শীলার মৃত্যুর জন্য স্বামী রাসেলকে দায়ী করে তাকে গ্রেফতার ও মামলা গ্রহণের দাবিতে সোমবার রাঙ্গাবালী থানার সামনে বিক্ষোভ করেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী। এ সময় তারা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। পরে পুলিশের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন বিক্ষোভকারীরা।

এরপর ওই দিনই নিহত শীলার ভাই রাইসুল ইসলাম কমল বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে রাসেল ও তার চাচাতো ভাই সোহান বয়াতীসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। মামলা দায়েরের এক দিনের মাথায় প্রধান আসামি রাসেলকে গ্রেফতার করল এসআরবি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রূপগঞ্জে নেই শ্রমিক অসন্তোষ, তবে বেতন বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের দাবি

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন