‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরে অংশ নিতে অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন ১৬ লাখ ২৩ হাজারের বেশি প্রতিযোগী। প্রথম আসরে নিবন্ধনের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ লাখ ৬৮ হাজার। এবারের আসরে ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস (সিজন-২) উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেসব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহফুজুল আলম খান।
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। স্কুল-কলেজের মাঠের পাশাপাশি দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছরই এক হাজার ইউনিয়নে মাঠ তৈরির উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের উন্নয়নকাজ চলতি অর্থবছরে শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের অবশিষ্ট অংশে গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রেসব্রিফিংয়ে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি’র আয়োজনের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে তরুণদের ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তরুণদের সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, একসময় খুলনা ‘স্পোর্টস সিটি’ হিসেবে পরিচিত ছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম খুলনা সফর ঘিরে নগরবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সারাদেশের মতো খুলনাতেও উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
হুইপ বলেন, ইতোমধ্যে বন্ধ কলকারখানা চালুর মাধ্যমে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলে শিল্পায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোংলা বন্দরের উন্নয়নের সঙ্গে খুলনার অর্থনৈতিক অগ্রগতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রধানমন্ত্রী বন্দরটির উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছেন।
প্রেসব্রিফিংয়ে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল আলম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে খুলনা কালেক্টরেট প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। এতে হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, কেডিএ চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
পড়ুন : মাগুরায় লুটকৃত স্বর্ণের বার ভাগাভাগি নিয়েই খুন হয় যুবদল নেতা শাকের


