রেলওয়ের দুর্নীতির কালো বিড়ালকে খুঁজে বের করতে হবে: জিএম

প্রতিদিন ১ টাকা আয় করতে গিয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পরিচালন ব্যয় হয় প্রায় ১.৮ থেকে ২ টাকার কাছাকাছি। কম ভাড়া, ইঞ্জিন সংকট ও পেনশনের বাড়তি চাপের কারণে প্রতিদিন আয় ও ব্যয়ের মধ্যে প্রায় ৪.৫ থেকে ৫ কোটি টাকার ঘাটতি বা লোকসান সৃষ্টি হয়। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের গবেষনামূলক পরিচালনা টিম ওর্য়াক প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

অনুসন্ধানে জানা যায়, এর ক্ষতির মূল কারন হচ্ছে নিয়োগকৃত ঠিকাদারদের দৈরাত্ব সব সময় স্থায়ী। সংশ্লিষ্ট দপ্তর কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় প্রর্যন্ত উৎকোচ প্রথা। ট্রেন সেবার নামে আয়ের অর্থ লুট। পশ্চিমাঞ্চলের খাতা কলমে ব্যয়ের অংক অনেক হলেও প্রতিদিন গড় আয় প্রায় ৬কোটি টাকা।

বাংলাদেশ রেলওয়েতে মেগা প্রকল্পের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ থাকলেও পরিচালন আয় ও ব্যয়ের মধ্যে এক বিরাট ব্যবধান রয়েছে। সাম্প্রতিক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রেলওয়ে মোট ২,০৬৬ কোটি টাকা আয় করলেও এর বিপরীতে পরিচালন ব্যয় হয়েছে ৩,৯৫৫ কোটি টাকা। ফলে কেবল এক বছরেই পরিচালন ঘাটতি বা লোকসান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,৮৮৯ কোটি টাকা। বাজেট থাকার পরেও কেন রেলওয়ে লোকসান গুনে, তার প্রধান এবং যুক্তিযুক্ত কারণগুলো হলো।

আয় ও ব্যয়ের প্রধান ভারসাম্যহীনতা উন্নয়ন বাজেট ও পরিচালন বাজেট। সরকার যে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়, তার ৮০-৮৫ শতাংশ ব্যয় হয় উন্নয়ন বাজেটে (যেমন: নতুন রেলপথ নির্মাণ, দীর্ঘমেয়াদী ঋণ শোধ ও মেগা প্রজেক্ট)। কিন্তু প্রতিদিনের ট্রেন চালানো, তেল কেনা, কর্মচারীদের বেতন ও লাইন মেরামতের খরচ আসে পরিচালন বা রাজস্ব বাজেট থেকে। পেনশন ও রিটায়ারমেন্ট ফান্ড, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের বার্ষিক পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ১২শত কোটি টাকাই চলে যায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন দিতে। এটি সাধারণ ব্যবসায়িক পরিচালনা ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত না হলেও রাষ্ট্রীয় নিয়মে রেলকেই বহন করতে হয়।

কেন আয় কম হচ্ছে? পণ্য পরিবহনে চরম ঘাটতি যেকোনো দেশের রেলওয়ের আয়ের আসল উৎস হলো মালামাল বা পণ্য পরিবহন। যাত্রীবাহী ট্রেনে পরিচালন খরচ বেশি কিন্তু আয় সীমিত। ভারতে বা অন্য উন্নত দেশে মোট আয়ের একটি সিংহভাগ আসে পণ্য পরিবহন থেকে।বাংলাদেশে ইঞ্জিনের তীব্র সংকট থাকায় মালবাহী ট্রেনের সংখ্যা অনেক কম। ফলে পণ্য পরিবহন থেকে কাক্সিক্ষত আয় অর্জিত হয় না।

দীর্ঘ ১০ বছর ধরে অনমনীয় ট্রেন ভাড়া অন্যান্য যেকোনো গণপরিবহন (বাস-লঞ্চ) বা জ্বালানি তেলের দাম কয়েকগুণ বাড়লেও, ২০১৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশে রেলের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়নি। সামাজিক সেবামূলক বা ভর্তুকিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকার কম ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করায় রেলের পরিচালন আয় কম থাকে।

কেন ব্যয় অতিরিক্ত বাড়ছে? অবকাঠামো ও আমদানিকৃত যন্ত্রাংশের উচ্চমূল্য। ডলারের দাম বৃদ্ধি ও বৈশি^ক মূল্যস্ফীতির কারণে ট্রেনের পার্টস, ট্র্যাকের মালামাল, কোচ সংস্কার এবং ফুয়েল-জ্বালানির খরচ বহুগুণ বেড়েছে। অপরিকল্পিত প্রকল্প ও ঋণের বোঝা, গত দেড় দশকে বড় বড় অবকাঠামো (যেমন নতুন রুট) তৈরিতে বিশাল বিনিয়োগ হলেও পর্যাপ্ত ইঞ্জিন ও কোচ না থাকায় সেসব নতুন লাইনে পর্যাপ্ত ট্রেন চালানো যাচ্ছে না। ফলে প্রজেক্টের পেছনে ঋণ ও খরচ বাড়লেও তা থেকে পর্যাপ্ত রাজস্ব আয় হচ্ছে না।

ই-টিকিটিং চালুর পরও অনিয়ম, কালোবাজারি, ফ্রী-বিনা টিকেটে ভ্রমণ এবং বাণিজ্যিক ভূ-সম্পত্তি বা জমি থেকে কাক্সিক্ষত ইজারা রাজস্ব আদায় না হওয়া লোকসানের একটি পরোক্ষ কারণ। সংক্ষেপে মূল কথা হলো বাংলাদেশ রেলওয়ে কেবল একটি “ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান” নয়, এটি রাষ্ট্রের একটি “জনকল্যাণমূলক গণপরিবহন।

সরকার যে বরাদ্দ দেয় তা মূলত অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় হয়, কিন্তু দৈনিক ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের স্বল্প ভাড়া, মালবাহী ট্রেনের অভাব এবং বিপুল পেনশন খরচের কারণে আর্থিক হিসাবে এটি নিয়মিত লোকসানের মুখে পড়ে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে (রাজশাহী, খুলনা, রংপুর ও লালমনিরহাট বিভাগ) থেকে ঢাকা (কমলাপুর-বিমানবন্দর) রুটে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২২ থেকে ২৪ জোড়া (৪৪-৪৮টি আপ-ডাউন) আন্তঃনগর, মেল ও কমুটার ট্রেন চলাচল করে।

জ্বালানি তেল (ডিজেল) খরচ ও বাজার মূল্য রেলওয়েতে একটি ব্রডগেজ বা ডুয়েলগেজ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) প্রতি কিলোমিটারে গড়ে ৪ থেকে ৫ লিটার ডিজেল ব্যবহার করে। পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা (যেমন: রাজশাহী-খুলনা-পঞ্চগড়) থেকে ঢাকার দূরত্ব প্রায় ৩০০ থেকে ৪৫০ কিলোমিটার।

১টি ট্রেনের (একবার আসা বা যাওয়া) জ্বালানি খরচ হয় প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৮০০ লিটার ডিজেল। প্রতিদিনের মোট জ্বালানি খরচ হয়। পশ্চিমাঞ্চলের সবকটি ঢাকাধ্যামী ট্রেনের (উভয়মুখী মিলিয়ে) পেছনে দিনে প্রায় ৬০,০০০ থেকে ৭০,০০০ লিটার ডিজেল লাগে। দৈনিক বাজার মূল্য জ্বালানি তেলের বর্তমান বাজার দর (ডিজেল প্রতি লিটার প্রায় ১০৫-১০৬ টাকা হিসাব করলে) অনুযায়ী পশ্চিমাঞ্চলের ঢাকাগামী ট্রেনগুলোর প্রতিদিনের ডিজেল বাবদ খরচ হয় প্রায় ৬৫ থেকে ৭৫ লাখ টাকা।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রতিদিনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বাংলাদেশ রেলওয়েতে আয়-ব্যয়ের হিসাব বার্ষিকভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়। সাম্প্রতিক অর্থবছরের প্রাপ্ত উপাত্ত অনুযায়ী দৈনিক গড় হলো। বার্ষিক পরিচালন আয় প্রায় ২,০৬৬ কোটি টাকা। দৈনিক গড় আয়, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে প্রতিদিন যাত্রীবাহী টিকিট বিক্রি, পণ্য পরিবহন ও অন্যান্য খাত থেকে গড়ে প্রায় ৫.৫ থেকে ৬ কোটি টাকা আয় করে।

প্রতিদিনের ব্যয় ও বার্ষিক পরিচালন ব্যয় প্রায় ৩,৯৫৫ কোটি টাকা। দৈনিক ট্রেন পরিচালনা (তেল, মেরামত ও লজিস্টিকস), কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং বিশাল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর পেনশন মেটাতে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রতিদিন ব্যয় হয় প্রায় ১০.৫ থেকে ১১ কোটি টাকা।

রাজশাহী রেলস্টেশন মূলত বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিমাঞ্চল)-এর পাকশী বিভাগ এর অন্তর্ভুক্ত। রেলপথ মন্ত্রণালয় ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আওতায় ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট ও চলমান প্রকল্পগুলোর সার্বিক বাজেট চিত্র (২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬) ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জন্য সর্বমোট প্রস্তাবিত বাজেট ছিল ১৮হাজার ৭২ কোটি টাকা (পরবর্তী সংশোধিত বাজেট ছিল ১৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছর প্রস্তাবিত বাজেটে রেল মন্ত্রণালয়ের জন্য ১১,৯৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এই বরাদ্দের একটি বড় অংশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রশাসনিক কাজ, মেরামত, বেতন-ভাতা এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্পসমূহে ভাগ হয়ে যায়। পুরো পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের (রাজশাহী, রংপুর, খুলনা বিভাগ ইত্যাদি মিলিয়ে) অধিগ্রহণকৃত মোট জমির পরিমাণ প্রায় ৪০,৪১৯ একর (যার একটি বড় অংশ লালমনিরহাট, ঈশ^রদী, সান্তাহার, পার্বতীপুর ও রাজশাহী জেলায় অবস্থিত)।

বাংলাদেশ রেলওয়ে (পশ্চিমাঞ্চল)-এর অধীনে জরাজীর্ণ অবকাঠামো সংস্কার, সংযোগ তৈরি এবং সিগন্যালিং আধুনিকীকরণের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ চলমান ও অনুমোদিত রয়েছে। প্রকল্পসমূহের এলাকা, বরাদ্দ ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রকল্প ও আওতাধীন এলাকাবরাদ্দকৃত অর্থকাজ সম্পাদনকারী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পশ্চিমাঞ্চল রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প (১ম পর্যায়) আওতাধীন এলাকা: সৈয়দপুর, ভবানীপুর, পাবনা, ঈশ^রদী, সান্তাহার ও সংলগ্ন রুটসমূহ) ২,০২৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকাদরপত্র ও ই-জিপি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রক্রিয়াধীন (প্রকল্পের মেয়াদ ২০৩১ পর্যন্ত নির্ধারিত)।

ঈশ^রদী-পার্বতীপুর সেকশন সিগন্যালিং আধুনিকীকরণ প্রকল্প (আওতাধীন এলাকা: পাবনা (ঈশ^রদী), নাটোর, রাজশাহী রুট, বগুড়া ও দিনাজপুর (পার্বতীপুর) সেকশনের ২০টি স্টেশন) প্রায় ৩০০ কোটি বেশি টাকা (ইডিসিএফ অর্থায়নে) কেইসি আর্ন্তজাতিক (ভারত) এবং দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ।

সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া জেলাÑযাতে রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গের দূরত্ব প্রায় ১১২ কিমি কমে আসে যার দরুন ৫,৫৭৯ কোটি টাকা (প্রাক্কলিত) ভারত কনসালটেন্সি ও যৌথ নকশা পরামর্শক হিসেবে যুক্ত। নির্মাণ ঠিকাদার দরপত্র প্রক্রিয়ায় রয়েছে। খুলনা-মোংলা পোর্ট নতুন রেলপথ ও রূপসা রেল সেতু (আওতাধীন এলাকা: খুলনা, বাগেরহাট ও মোংলা পোর্ট এলাকা) ৩,৮০১ কোটি টাকা (প্রায়) ট্র্যাক ও ব্রিজ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন এবং রুটটি সচল করা হয়েছে। ডাবল গেজ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রেল সংযোগ (আওতাধীন এলাকা: পাকশী ও ঈশ^রদী ইয়ার্ড) ৩৩৫ কোটি টাকা।

সম্প্রতি সরকার পশ্চিমাঞ্চলের পুরানো ও ঝুঁকিপূর্ণ ট্র্যাকসমূহ মেরামতে ২,০২৮ কোটি টাকার বিশেষ মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে ১৫ শতাংশ ক্ষয়প্রাপ্ত রেললাইন পরিবর্তন এবং অকেজো ২৫-৩০ শতাংশ স্লিপার রূপান্তর করা হচ্ছে।

মোট ক্রসিংগুলোর মধ্যে প্রায় ৬শত টিরও বেশি গেটে নিয়মিত কোনো গেটকিপার নেই, যা স্থানীয় চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রেল কর্তৃপক্ষের গৃহীত উদ্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ সেতু মেরামত ও অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং নিরাপদ করতে রেলওয়ে কয়েকটি বিশেষ পদক্ষেপ ও মেগা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে: ২,০২৮ কোটি টাকার বিশেষ অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্প।

রেলওয়ে দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেছেন রাজশাহী মহানগর যুবদল সাধারন সম্পাদক (সাবেক) এবং রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব মোঃ মাহফুজুর হাসনাইন হিকেল। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের নিয়মে চলছে রেলের কার্যক্রম। বিশেষ করে ঠিকাদারের সিন্ডিকেট বড় সমস্যা। তাদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। উভয়ের সুবিধার কারনে এই নিরব শাসন চলমান রয়েছে। বর্তমান সরকারের মন্ত্রনালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দ্রুত এই দপ্তরে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। রেলওয়েকে লাভজনত প্রতিষ্ঠানে দেশের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।

রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ফরহাদ উদ্দিন খান বলেন, এই দেশের রেল সেবা চালু হওয়ার পর থেকে কখনও লাভের মুখ দেখতে পাওয়া যায়নি। প্রতিনিয়ত রেল সেবায় সকল স্তরের মানুষ ঝুকছে। উৎসব ছাড়ায় রেল টিকিট পাওয়া খুবই কঠিন। অফ লাইন বা অন লাইনে কোথায়ও টিকিট সচারাচর পাওয়া যায় না। সেই দিক বিবেচনা করলে রেল অধিদপ্তর লোকসানে কেন থাকবে। বিশে^র যে কোন দেশে রেল যোগাযোগ যেমন উন্নত তেমনি তাদের আয় বৃদ্দি পাচ্ছে। দুর্নীতির কালো বিড়ালকে খূজে বের করতে হবে। সরকারের ভালো পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় এর প্রতিরোধ করা সম্ভব না।

পশ্চিম রেলওয়ে মাহাব্যবস্থাপক আহম্মদ হোসেন মাসুম পত্রিকার প্রতিনিধিকে জানান, জনগনের একটি ভুল ধারনা নিয়ে চলছে। রেল ব্যানিজ্যিক কোন প্রতিষ্ঠান না, এটি হলো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। রেলের কারনে অল্প খরচে সকল স্তরের মানুষ চলাচল এবং ব্যবসা করতে পারছে। দেশের সরকার এই সেবায় অনেক টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। যার কারনে এই রেল সেবা চলমান রয়েছে। এই দপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরর পেনশনের ১২শত কোটি টাকা সরকারী কোষাগার থেকে যায় না। রেলের আয় থেকেই পেনশনের খরচ বহন করা হয়। বিগত দিনের জটিল সমস্যা গুলো নিয়ে কাজ করছে দেশের সরকার এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতনরা ।

পড়ুন : চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে গুলি, আহত বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

সা/

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন