রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি পঞ্চান্ন বছর বয়সী আব্দুল লতিফ। প্রিয়জনের পথ চেয়ে পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ দুই দিনের উৎকণ্ঠা আর অপেক্ষার অবসান ঘটল ঠিকই, তবে তা এক নিদারুণ বিষাদে। শনিবার বিকেলে নেত্রকোনার মদন উপজেলার মগড়া নদীতে ভেসে উঠল তাঁর নিথর দেহ। নদীতে এভাবে মরদেহ ভেসে ওঠার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী বাজার সংলগ্ন দক্ষিণ বালালী গ্রামে মগড়া নদী থেকে আব্দুল লতিফের (৫৫) ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আব্দুল লতিফ দক্ষিণ বালালী গ্রামের মৃত লাবু হাজীর ছেলে। ওই গ্রামের আলম মিয়ার বসতবাড়ির পশ্চিম পাশে নদীতে মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী, পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন আব্দুল লতিফ। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। স্বজনদের কাছে কোনো খোঁজ না মেলায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছিল পরিবারের। নিখোঁজ থাকার দুই দিন পর অবশেষে মগড়া নদীতে তার ভাসমান মরদেহ পাওয়া গেল।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দীন জানান, প্রাথমিকভাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত চলছে। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পড়ুন : ধামরাইয়ে সিএনজি চালক নিখোঁজ, খাগুরতা-বাটুলিয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় মিলল গাড়ি


