বিজ্ঞাপন

কারিনা কাপুরের বিস্ফোরক কথা: “হৃত্বিককে বিয়ে নিয়ে কোনো প্রশ্নই ওঠে না”

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর, যিনি তার অভিনয় দিয়ে কোটি ভক্তের মন জয় করেছেন, একাধিক সম্পর্কের গুঞ্জনেও ছিলেন বেশ আলোচিত। তবে, তার জীবনে এক সময় হৃতিক রোশনের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন উঠেছিল, যা ছিল পুরো বলিউডে একটি আলোচনার বিষয়। এই সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে কাপুর নিজে একটি সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন, যেখানে তিনি জানিয়ে ছিলেন, হৃতিক রোশনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শুধুমাত্র বন্ধুত্বের। তবে, এই সম্পর্কের বিয়ে নিয়ে যেসব গুঞ্জন উঠেছিল, তা ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, দাবি করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

২০০০ সালেই এই গুঞ্জনটি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, যখন হৃতিক রোশন তার অভিষেক ছবি “কাহো না পিয়ার হ্যায়” দিয়ে বক্স অফিসে সাফল্য লাভ করেছিলেন। অন্যদিকে, কাপুর এবং অভিষেক বচ্চনের প্রথম ছবি “রিফিউজি” তেমন সফল হয়নি। এই সময়েই শোনা যায় যে, রোশন পরিবার খুবই পছন্দ করত এবং তাদের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব পর্যন্ত ছিল! তবে কারিনা কাপুর জানান, হৃতিকের সঙ্গে তার সম্পর্ক শুধু বন্ধুত্ত্বের ছিল এবং তাদের মধ্যে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।

কারিনা আরো বলেন, “হৃতিক আর আমার মধ্যে দারুণ বন্ধুত্ব ছিল, যা আমাদের সিনেমায় আসার আগেই গড়ে উঠেছিল।

রোশন পরিবার আমাকে খুব ভালোবাসত, তবে বিয়ের বিষয়টি ছিল একেবারেই গুজব।” যদিও এই মন্তব্যের পরও অনেকেই মনে করেন, কারিনা ব্যক্তিগত সম্পর্ক আড়াল করতে এমন কথা বলেছেন। তবে, হৃতিক ও কারিনা কখনও নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেননি, ফলে সেই সময়ের গুঞ্জন আজও রহস্য হয়ে রয়ে গেছে।

পরবর্তীতে, শাহিদ কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জনও ছিল বেশ কিছুকাল ধরে, কিন্তু শেষমেশ তার মন জয় করেন সাইফ আলি খান, এবং তারা বিয়ে করেন। তবে, হৃতিক রোশন এবং কারিনা কাপুরের সম্পর্কের সেই গুঞ্জন এখনো শোনায় রহস্যের মতো।

এই গল্পটি বলিউডের একটি চিরকালীন রহস্য হিসেবে মনে রাখা হবে, যেখানে অভিনেতাদের ব্যক্তিগত জীবন এবং সম্পর্কের গুঞ্জন সবসময় শিরোনামে থাকে।

পড়ুন: ফিল্মফেয়ারে ‘ট্র্যাডিশনাল কুইন অব দ্য ইয়ার’ অভিনেত্রী জয়া

দেখুন: হিরো আলমের বিরুদ্ধে জিডি করলেন তার নায়িকা |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন