সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে সাইডলাইনে একান্ত আলোচনায় বসবেন দুই নেতা।
বুধবার (২ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, বিকেলে ভারতের তরফ থেকে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যাংকক সময় বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিটে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আজ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের ৭টি দেশ।
বিমসটেকের সদস্যদেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। প্রথম দিন সদস্যদেশগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শুরু হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে যোগ দেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন। সভা শুরুর আগে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া এবারের সম্মেলনে বাংলাদেশকে পরবর্তী ২ বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হবে।
এদিকে কূটনীতিবিদরা এবার বিমসটেক সম্মেলনে সাইডলাইন বৈঠকগুলোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। ভারতের পররাষ্ট্র নীতিতে আঞ্চলিক সহায়তাকে সুদৃঢ় করার বড় রকমের পরিবর্তন না আসাকে দুর্ভাগ্য উল্লেখ করে ইউনূস-মোদির বৈঠক দু’দেশের টানাপোড়েন নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলেও মনে করেন অর্থনীতিবিদ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। ভিসা জটিলতা, বিনিয়োগ-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আলোচনা এগিয়ে নিতে ঢাকাকে আরও অগ্রগামী হওয়ার পরামর্শ তাদের।
পড়ুন : বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী আমরা : পররাষ্ট্র সচিব


