বিজ্ঞাপন

ইরানে যে কোনো সময়ে হামলা করতে পারে ইসরায়েল

নিকট ভবিষ্যতে যে কোনো সময়ে ইরানে হামলা করতে পারে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের কয়েক জন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, সিবিএসসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম।

গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিবৃতি প্রদান করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে যে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে যেসব সেনাসদস্য এবং কর্মকর্তা অবস্থান করছেন, তারা চাইলে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আসতে পারেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির পর এই গুঞ্জন আরও পোক্ত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বলেছেন যে ইসরায়েল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সেই হামলার মাত্রা কেমন হতে পারে— তা এখনও পরিষ্কার নয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানে সামরিক আঘাত হানবার জন্য গত কয়েক মাস ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবুজ সংকেত চাইছেন নেতানিয়াহু; কিন্তু ট্রাম্প এখনও সংকেত দিচ্ছেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, কয়েক মাস আগে ইরানে হামলার একটি পরিকল্পনা ট্রাম্পের সামনে হাজির করেছিলেন নেতানিয়াহু। কিন্তু ট্রাম্প সেই পরিকল্পনা খারিজ করে দিয়ে বলেছিলেন, তিনি সংলাপের মাধ্যমে ইরানকে পারমাণবিক প্রকল্প থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চান।

দুই সপ্তাহ আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানে হামলা করা থেকে বিরত থাকতে নেতানিয়াহুকে সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি, কারণ বর্তমানে তেহরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে মার্কিন ও ইরানি সরকারি প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক চলছে।
তবে ট্রাম্প আর কতদিন নেতানিয়াহুকে ঠেকিয়ে রাখতে পারবেন বা রাখবেন— তা একটি বড় প্রশ্ন। কারণ পরমাণু প্রকল্প নিয়ে চলমান সংলাপে তেহরানকে যে প্রস্তাব দিয়েছিল ওয়াশিংটন, তা বাতিল করে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।

বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট একটি পডকাস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছে। সেখানে ট্রাম্পকে বলতে শোনা গেছে যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি আদৌ হবে কিনা— সে ব্যাপারে তার আত্মবিশ্বাস কমে আসছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: ইসরায়েলের গোপন নথির ‘ভান্ডার’ ইরানের হাতে, প্রকাশের হুমকি

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন