বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় বিয়ের প্রলোভনে অপহরণ ও ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় নাবালিকা মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামি ফয়সাল মিয়াকে (৩০) গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ (সিপিএসসি)।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৩ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়কের পক্ষে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানান র‌্যাবের মিডিয়া অফিসার।

এরআগে একই দিন ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল ও রাজশাহী র‌্যাব-৫ এর সহযোগিতায় রাজশাহী জেলার পুটিয়া থানাধীন হোজারপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং এই অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা এজাহারনামীয় পলাতক প্রধান আসামি ফয়সাল মিয়াকে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব জানায়, গত ৫ জুন সকাল ১০টার দিকে নাবালিকা মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে সিএনজিতে তুলে ভুক্তভোগীর ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। এসময় রাস্তার পাশে কয়েকজন দোকানদার দেখতে পেয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও সিএনজি থামাতে পারেনি। ভুক্তভোগীর বাবা মেয়েকে উদ্ধারের জন্য সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারেন ফয়সালের বাড়িতে অবস্থান করছে। ফয়সাল ভুক্তভোগীকে তার বাড়িতে আটকে রেখে ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

র‌্যাব আরো জানায়, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে গত ৩ জুলাই পিটিশনটি পূর্বধলা থানায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর ফয়সাল মিয়া ভুক্তভোগীকে নিয়ে পলাতক ছিলেন।

মামলা রুজুর পর ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ (সিপিএসসি) ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে তৎপরতা শুরু করে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগী নাবালিকাকে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়ার জন্য পূর্বধলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পড়ুন: গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার লাইন লিকেজ থেকে আগুন, একজনের মৃত্যু

দেখুন: প্রকাশ্যে আসছে ইসরাইলের ভয়ংকর পরিকল্পনা আর ব্যর্থতার গল্প! 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন