বিজ্ঞাপন

হত্যা মামলায় হাজতে থাকা শিক্ষককে বরখাস্ত

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: আব্দুর রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা ও হত্যা চেষ্টার দুটি মামলায় হাজতে থাকায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেন। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল মোমিন স্বাক্ষরিত চিঠিতে আব্দুর রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক আব্দুর রহিম ওরফে স্বাধীন আক্কেলপুর পুরাতন বাজারের মৃত আছির উদ্দিনের ছেলে। তিনি আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন।

সাময়িক বরখাস্তের চিঠিতে বলা হয়েছে, মো: আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা ও আরেকটি হত্যা চেষ্টার মামলা থাকায় গত ২১ আগস্ট পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি গত ২৬ আগস্ট এক সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন সময়ে আব্দুর রহিম বিধি মোতাবেক খোরাকী পাবেন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিবিড় তত্ত্বাবধানে থাকবেন।

আক্কেলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আব্দুল মোমিন বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এবিষয়ে উর্ধতন সকল দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় গত বছরের ২১ আগস্ট জয়পুরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। পরে ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা চেষ্টার মামলা হয়েছে। এই দুটি মামলায় শিক্ষক আব্দুর রহিম আসামি। এরপর আব্দুর রহিম গ্রেপ্তার এড়াতে মেডিকেল ছুটি নিয়ে এলাকার বাইরে ছিলেন। নির্ধারিত ছুটি শেষে তিনি বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। এ বছরের ২১ আগস্ট তিনি বিদ্যালয়ে এসে পাঠদান করছিলেন। এদিন দুপুর ২টার দিকে আক্কেলপুর থানার পুলিশ শিক্ষক আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে ফাউমি মুরগি পালনে জিলানীর চমক |

দেখুন: বেনাপোল দিয়ে আড়াই বছর পর তিন চালানে ৬০ টন পেঁয়াজ আমদানি: বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন