নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের পর আজ বুধবার সকাল থেকে পুরো ইপিজেড এলাকা সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রধান ফটকে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে, স্থাপন করা হয়েছে চেকপোস্ট।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে সংঘর্ষে একজন শ্রমিক নিহত এবং অন্তত ৬ জন আহত হয়। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে ইপিজেড কর্তৃপক্ষ আজ থেকে সব কারখানা ও অফিস বন্ধ ঘোষণা করেছে।
বিশেষ করে এভারগ্রিন প্রোডাক্টস লিমিটেডসহ কয়েকটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, সম্প্রতি এভারগ্রিন কারখানা থেকে ৫১ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়। এরপর বকেয়া বেতন-ভাতা না দিয়েই হঠাৎ মঙ্গলবার থেকে কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে প্রধান ফটকে টাঙানো হয়েছে নোটিশও।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে পুরো ইপিজেড এলাকায়।
পড়ুন:চাঁদপুরে চালু হলো মাদক বিরোধী অভিযোগ বক্স
দেখুন: রংপুরে হারের কারন জানালেন আঃলীগ নেতারা
ইম/


