বিজ্ঞাপন

ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা থাকলে প্রতিহত করবে পালাশবাসী: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনের আগে বড় বড় কথা, মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতায় আসার যে রাজনীতি, সেই রাজনীতি শেষ করে দিয়েছি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে। ভোটকেন্দ্র দখলের যদি কোনো পাঁয়তারা থাকে, পালাশবাসী তা প্রতিহত করবে। সারা বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন সচেতন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্র দখলের যে কোনো প্ল্যান, ভোট চুরি করে নির্বাচনে জয়ের যেকোনো প্ল্যানকে আমরা পরাস্ত করবো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। এক স্বৈরাচারকে সরিয়ে নতুন কোনো স্বৈরাচারকে বসানোর জন্য গণঅভ্যুত্থান করি নাই। বরং কেউ যাতে স্বৈরাচার হতে না পারে, সেই জন্যই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের ঘোড়াশালে এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি দল প্রথম থেকেই সংস্কারের বিরোধিতা করে আসছে। তারা ফ্যাসিবাদী আমলে ৩১ দফা দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর দেখলাম, তারা এই প্রতিশ্রুতিতে নাই। তারা জাতির সঙ্গে প্রতারণা করে সকল সংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তাই আপনারা মিলিয়ে নেবেন কে কী প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তা কতটুকু রক্ষা করে। জনগণের কাছে কথা দিলে তো কথা রক্ষা করতে হবে। আগামী নির্বাচনে তারা বিজয়ী হলে তাদের দেওয়া একটি কথাও তারা রাখবে না। ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা বলেছিল—দেশের মানুষকে ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়াবে। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য হয় নাই ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ার। এই দেশের মানুষের দুর্ভাগ্য, এই দেশে থেকে শত শত কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার আমরা দেখতে পাচ্ছি কীভাবে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের মনোনয়ন দিয়ে সংসদে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন করে টাকা পাচার ও লুটপাটের প্ল্যান করা হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে ব্যালটের মাধ্যমে আপনাদের জবাব দিতে হবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। এই অর্থনীতিকে আবার চাঙা করতে হলে মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান—এই তিনটি সেক্টরে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এর জন্য দেশের দুর্নীতি এবং দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের জনগণকে এবার ঠিক করতে হবে তারা কোন দলের কাছে নিরাপদ। যে দলের কাছে তার দলের নেতাকর্মী ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নিরাপদ নয়, সে দলের কাছে বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ নিরাপদ নয়। বাংলাদেশের মানুষ এখন নিরাপদ ১১ দলীয় জোটের কাছে।

পড়ুন: গণভোট: সরকারি কর্মকর্তাদের ‘হ্যাঁ-না’ প্রচারণায় ইসির নিষেধাজ্ঞা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন