বিজ্ঞাপন

দিশার সেই কথিত প্রেমিকের ‘চেহারা’ ফাঁস

বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানির প্রেমের গুঞ্জন বেশ কয়েকদিন ধরেই। ভারতীয় গায়ক তালবিন্দর সিং সিধুর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছে- শোনা যাচ্ছে এমনটাই। কিন্তু এতদিন তার চেহারা দেখা যায়নি, থাকতেন মাস্ক পরে। কিন্তু এবার তার চেহারা সবার সামনে এলো! এরপর থেকেই আলোচনায় এই শিল্পী।  

বিজ্ঞাপন

অভিনেত্রী দিশা পাটানির এই কথিত প্রেমিক দীর্ঘদিন মুখোশের আড়ালে ছিলেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী নূপুর শ্যাননের বিয়েতে তার একটি ভিডিও ফাঁস হয়, এরপর থেকেই আলোচনায় এই শিল্পী। তবে নিজের অজান্তে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুণ্ন হওয়ায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে তালবিন্দর বলেন, ঘুম থেকে উঠে দেখি সর্বত্র আমার ছবি। মনে হচ্ছিল কেউ যেন আমার মুখটা আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে। সারা পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি হচ্ছিল আমার।

পরিচয় ফাঁসের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এই পাঞ্জাবি গায়ক বলেন, ব্যক্তিগত এই ভিডিওটি হয়তো অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে ফাঁস করা হয়েছে। কিন্তু এতে একজনের স্বপ্নকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও যোগ করেন, তিনি চান মানুষ তাকে তার চেহারার বদলে কণ্ঠ দিয়ে চিনুক। ভিডিওটি নিয়ে যারা কন্টেন্ট বানাচ্ছেন, তাদের প্রতিও তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন।

২০১৮ সালে সংগীতে ক্যারিয়ার শুরু করলেও কখনো নিজের মুখ প্রকাশ্যে আনেননি তালবিন্দর। সবসময় বিভিন্ন ধরনের মুখোশ পরে গান পরিবেশন করতেন তিনি। গত জানুয়ারিতে গায়িকা নূপুর শ্যানন ও স্টেবিন বেনের বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী দিশা পাটানির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানেই প্রথমবারের মতো তার মুখোশহীন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অভিনেত্রী দিশা পাটানির সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন নিয়েও মুখ খুলেছেন তালবিন্দর। বিয়েবাড়িতে তাদের একসঙ্গে দেখার পর থেকেই প্রেমের আলোচনা তুঙ্গে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে প্রেমে আছি। তবে দিশার সঙ্গে আমার পরিচয় খুব বেশিদিন হয়নি। আমরা একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করছি। 

পড়ুন:মৌলভীবাজারে আন্ত:সংস্থাগত সমন্বয়ের কর্মকর্তাদের সাথে মেজর জেনারেলের মতবিনিময়

দেখুন: ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালালেই ৫ বছরের কারাদণ্ড 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন