বিজ্ঞাপন

উদিত নারায়ণের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ প্রথম স্ত্রীর

জনপ্রিয় প্লেব্যাক সংগীতশিল্পী উদিত নারায়ণের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ফের উত্তাল বিনোদন দুনিয়া। কিছুদিন আগে এক চুম্বন বিতর্কে নাম জড়িয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন এই গায়ক। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণ ঝা।

বিজ্ঞাপন

রঞ্জনার অভিযোগে শুধু উদিতের দিকেই নয়, তার দুই দাদা সঞ্জয় কুমার ঝা, ললিত নারায়ণ ঝা এবং গায়কের দ্বিতীয় স্ত্রী দীপা নারায়ণ ঝা-এর বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। গত ১০ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা এক অভিযোগপত্রে রঞ্জনা যে দাবি করেছেন, তা রীতিমতো আঁতকে ওঠার মতো।

রঞ্জনা ঝা’র দাবি, অসুস্থতার চিকিৎসার নাম করে তাকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, সেখানে তাকে কিছু না জানিয়েই এবং তার সম্মতি ছাড়াই অস্ত্রোপচার করে জরায়ু অপসারণ করা হয়। 

এই ষড়যন্ত্রের পেছনে উদিত নারায়ণের পাশাপাশি তার দ্বিতীয় স্ত্রী দীপাও সরাসরি জড়িত ছিলেন। দীর্ঘ সময় পর শারীরিক কিছু জটিলতা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে পরীক্ষার মাধ্যমে রঞ্জনা জানতে পারেন তার শরীরে জরায়ু নেই।

অভিযোগপত্রে ৬১ বছর বয়সী রঞ্জনা লিখেছেন, ১৯৮৪ সালের ৭ ডিসেম্বর বিহারের সুপৌল জেলায় উদিত নারায়ণের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরের বছরই (১৯৮৫ সালে) রঞ্জনাকে ফেলে রেখে ক্যারিয়ার গড়তে মুম্বই চলে যান উদিত। সেখানে তাকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় স্ত্রী দীপাকে বিয়ে করেন এই গায়ক।

রঞ্জনা আরও জানান, শুরুতে দুই স্ত্রীর সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করলেও ২০০৬ সালের দিকে চিত্রটা বদলে যায়। মুম্বাই ফিরে যাওয়ার পর তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় এবং এক পর্যায়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

পড়ুন:বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্যের সময় স্পষ্ট করলেন রণধীর জয়সওয়াল

দেখুন:একাধিক কেলেঙ্কারির পর ডিভোর্সের ঘোষণা দিলেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী | 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন