বিজ্ঞাপন

দুইবার উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সায়েমা খাতুন: সংরক্ষিত আসনে ভোটারদের আস্থা ও প্রত্যাশা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সম্ভাব্য মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দুইবারের উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. সায়েমা খাতুন।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় সম্পৃক্ততার কারণে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তার প্রতি সমর্থন বাড়ছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সায়েমা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং শিবগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনি পরপর দুইবার নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এবং সংগঠনকে সুসংগঠিত রাখতে তার সক্রিয় ভূমিকার কারণেই তিনি জেলার রাজনীতিতে একজন পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ নেতাকর্মীদের মধ্যেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৯২ সালে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। এরপর থেকেই তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড, সামাজিক উদ্যোগ এবং নারীদের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করে আসছেন।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সায়েমা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। দলীয় কর্মীদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

বিএনপি’র একাধিক নেতৃবৃন্দ বলেন, “সায়েমা খাতুন মাঠের রাজনীতির মানুষ। তিনি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে কাজ করেছেন। সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে।”

বিএনপি নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি আসনের কোনোটিতেই বিএনপির জয় না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা হতাশা তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংরক্ষিত আসনে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও অভিজ্ঞ কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে পুনরায় সংগঠিত করতে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরেকজন ইউনিয়ন বিএনপির মহিলা দলের সভাপতি বলেন, “নারী নেতৃত্ব বিকাশে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। সংসদে গেলে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের উন্নয়ন, পদ্মা নদীর ভাঙন সমস্যা সমাধান এবং নারীদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমরা আশা করি।”

এ বিষয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী সায়েমা খাতুন বলেন, “দল যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করবো।
আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের আদর্শ ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছি। দল যদি আমাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবো।”

তিনি আরও বলেন, “নারী সমাজের উন্নয়ন, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি আমার প্রধান লক্ষ্য হবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা যেমন পদ্মা নদীর ভাঙন, সোনামসজিদ স্থলবন্দরের উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসার- এসব বিষয় নিয়েও আমি সংসদে কাজ করতে চাই।”

তার মতে, রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণে কাজ করার একটি মাধ্যম। তিনি বলেন,
“তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাই একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই আস্থা নিয়েই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই।”

স্থানীয়দের আশা, সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি সংসদে গিয়ে নারী নেতৃত্ব বিকাশের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

পড়ুন:টাকা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা! ধর্ষণে শিশুর জরায়ু হারার ঘটনায় মামলা

দেখুন:শিক্ষার্থী নি/হ/তে/র পর পলাতক শহীদ ক্যাডেট একাডেমির শিক্ষকরা |

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন