নারীর টানে শেষ মুহুর্তে বাড়ি যেতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে থেকে থেমে যানবাহনের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের অংশে ৬৫ কিলোমিটার সড়কে পুলিশের পাশাপাশি যানজট নিরসন ও ভোগান্তি কমাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও নিরসলভাবে কাজ করছে। এর ফলে যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্থিত দেখা দিয়েছে। যানজট নিরসন ছাড়াও মহাসড়কে যে কোন অপরাধ ঠেকাতে টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তারা। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
এদিকে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে বাড়ি যাচ্ছেন। আবার যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের গোড়াই থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় ৬৫ কিলোমিটার সড়কে ঘাটাইল সেনা নিবাসের ৩টি ব্যাটেলিয়ানের প্রায় ৪শ’ সদস্য কাজ করছে। এর মধ্যে মির্জাপুর পয়েন্ট, টাঙ্গাইল শহর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত এবং যমুনা এলাকায় সেনাবাহিনীর ব্যাটেলিয়ান সদস্যরা রয়েছেন। এছাড়া মহাসড়কে ডাতাতি ও ছিনতাইরোধ রাত্রি কালীন টহল কার্যক্রমও পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরেজমিনে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, মহাসড়কে পুলিশের পাশাপাশি সেনবাহিনী সদস্যরাও যানজট নিরসনে কাজ করছেন। এছাড়া যাত্রীদের যে কোন বিপদে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও সহযোগীতা করছেন।
মহাসড়কের এলেঙ্গায় কথা হয় সেনাবাহিনীর সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ইশমামের সাথে। তিনি বলেন, যানজট নিরসনে আমরা পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতা করছি। আমাদের সকল সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল সেনানিবাসের মেজর ইউসুফ বলেন, মহাসড়কে যানজট ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমাদের প্রায় ৪শ’ সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া রাত্রিকালীন টহল কার্যক্রমও করা হচ্ছে। ঈদের ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত মহাসড়কে আমাদের কার্যক্রম চলবে।
পড়ুন- যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেছে ৯৫ শতাংশ
দেখুন- পারমাণবিক বিপর্যয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা!


