জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় জনমনে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। একের পর এক সংঘটিত এসব ঘটনায় স্থানীয়রা প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার গভীর রাতে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মোহন মিয়ার বাসভবনে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা স্বর্ণালংকার, কাপড়-চোপড় এবং ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত কাঁসার বাসনপত্র নিয়ে যায়। একই রাতে পুরাতন মার্কাজ মসজিদের মুয়াজ্জিন আল মোস্তফার ভাড়া বাসা থেকেও একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়।
এতেই শেষ নয়—উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতই পানির পাম্প, মোটর, টিউবওয়েল এবং গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রী চুরির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা ও ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংঘবদ্ধ চোরচক্র পরিকল্পিতভাবে রাতের আঁধারে এসব অপরাধ সংঘটিত করছে। তবে পর্যাপ্ত নজরদারি ও তাৎক্ষণিক আইনগত পদক্ষেপের অভাবে চোরদের দৌরাত্ম্য ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে এবং সাধারণ মানুষের জীবন-সম্পদের নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। তারা নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার, সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে আনা এবং সংঘবদ্ধ চোরচক্র শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কাইয়ুম গাজী জানান, কয়েকজন সন্দেহভাজন চোরকে ইতোমধ্যে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশি টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্তাধীন রয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা—দ্রুত দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে এবং মানুষের মনে ফেরানো হবে নিরাপত্তার আস্থা।


