দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২৭ জনে দাঁড়িয়েছে। সবশেষ উদ্ধার হওয়া মরদেহটি হলো কালুখালী উপজেলার মৃত সানাউল্লাহ শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর (৫৫)। ডুবে যাওয়া বাস থেকে উদ্ধার করা মরদেহের মধ্যে নারী ১১ জন, শিশু ৮ জন এবং পুরুষ ৭ জন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসের একটি অংশ দৃশ্যমান হয়। সাড়ে ১১টা নাগাদ পুরো বাসটি উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেনের মাধ্যমে পানির ওপরে আনা হয়। এ সময় বাসের ভিতর মরদেহ ছাড়াও স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগ ও অন্যান্য সামগ্রী ভেসে উঠতে দেখা যায়।
এদিকে, রাতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে নৌপরিহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান সাংবাদিকদের বলেন, “রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা তিন কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের রিপোর্ট প্রদান করবেন। পাশাপাশি, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ও তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবেন। এরপরই আমরা জানতে পারব কী ঘটেছিল।”
পড়ুন: ১২ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব, পাঁচজনকে প্রত্যাহার
আর/


