বিজ্ঞাপন

খুলনায় নবনির্মিত কর ভবনের উদ্বোধন

জাতীয় সংসদের হুইপ ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, করের হার বৃদ্ধি না করে করদাতার সংখ্যা বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে এবং এসব কর্মসূচির অর্থ রাজস্ব খাত থেকেই জোগান দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

খুলনায় নবনির্মিত আধুনিক কর ভবনের উদ্বোধন ও ভবনটির ফলক উন্মোচন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে করদাতাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং কর কর্মকর্তাদের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী এবং সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) আহসান হাবিব। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য দেন খুলনার কর কমিশনার শ্রাবণী চাকমা।

প্রধান অতিথি রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের বড় অংশই জনগণের করের অর্থ থেকে আসে। তাই কর ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে কর ফাঁকি প্রতিরোধের পাশাপাশি নিয়মকানুন সহজ ও স্বচ্ছ করা জরুরি।

তিনি বলেন, এখনো অনেক মানুষের মধ্যে টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেট নেওয়া নিয়ে অযথা ভয় কাজ করে। অনেকেই মনে করেন করদাতা হলে হয়রানির শিকার হতে হবে। কর কর্মকর্তাদের কিছু ক্ষেত্রে অসদাচরণ ও অসততার কারণেই নতুন করদাতা তৈরি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে তিনি বলেন, অনেক সময় বড় কর ফাঁকিদাতারা পার পেয়ে গেলেও ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা চাপের মুখে পড়েন। এই বৈষম্য দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি কর কর্মকর্তাদের জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং কর বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রচারণা বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

খুলনার আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। একসময় শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত খুলনার অনেক শিল্পকারখানা বর্তমানে সংকটের মুখে রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মৎস্য শিল্পসহ বিভিন্ন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। কুটির শিল্প থেকে শুরু করে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে তিনি একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কর ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পড়ুন- রাজধানীতে বিক্ষোভের ডাক দিলো জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

দেখুন- কৃষক-ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন