বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীকে হামলা, আসামী গ্রেপ্তার না হওয়ায় ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে শশুরবাড়িতে এক ব্যবসায়ীকে হামলা করে নগট টাকা স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার ওসি আসামীদের গ্রেপ্তার না করার অভিযোগ তুলে সোমবার বিকেলে ব্যবসায়ী হাসান আলী তার শ্বশুড় বাড়ি উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের ঘোনীকিশোর গ্রামে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

ব্যবসায়ী হাসান আলী সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, ঢাকার সাভারে আমার একটি বুটিক ফ্যাক্টরী আছে। আমার ফ্যাক্টরীতে উৎপাদিত বিভিন্ন পন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করা হয়। বাজারজাত করার জন্য সাভার এবং টাঙ্গাইল সদর উপজেলার টাঙ্গাইল প্লাজার আমার শোরুম রয়েছে। টাঙ্গাইলের শোরুমে নাজমুল হক দেখাশোনা করতো। গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে নাজমুল আমার শোরুমের কোন হিসাব আমাকে দেয়নি। তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে আমার ফোন রিসিভ করে না। এক পর্যায়ে জানতে পারি নাজমুল আমার শো-রুমের প্রায় ৮ লাখ ৩১ হাজার টাকা মালামাল বিক্রি করেছে। পরে এঘটনায় দেলদুয়ার ও সাভায় থানায় অভিযোগ দিলেও মামলা নেয়নি।

পরবর্তীতে নাজমুলকে ফোন করলে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার ওসিকে অবগত করলেও কোন প্রদক্ষেপ নেয়নি। ওসি তখন আমাকে বলে ‘আপনি মার খান তারপর আমি দেখবো।’ পরবর্তীতে আমি ১৬ এপ্রিল রাতে শ^শুড় বাড়িতে যাই। স্থানীয় সাবেক মেম্বার রাসেলের নেতৃত্বে একদল বাহিনী বাড়িতে প্রবেশ করে দা, লাঠি, রড আমার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করে। এসময় তারা আমাকে টানতে টানতে নাজমুলের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাকে আরো মারতে থাকে। একপর্যায়ে তারা আমার শাশুড়ি ও চাচা শশুরকে আঘাত করে। পরে ৯৯৯ এ ফোন দিলে দেলদুয়ার থানা পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আমার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা নেয়ার জন্য থানার ওসির কাছে গেলে তিনি গড়িমসি করে।

তিনি আরো বলেন, দুইদিনেও ওসি মামলা নেয়নি। হামলার কাগজপত্র দেখালেও ওসি বলে এসব অভিনয়। পরবর্তীতে পুলিশ সুপার মহোদয়কে জানালে তিনি ওসিকে মামলা নিতে বলেন। পরে ওসি মহোদয় ১৯ এপ্রিল মামলা গ্রহণ করেন। কিন্ত মামলার পরেও এজাহারনামীয় আসামীদের পুলিশ এখনো গ্রেপ্তার করেনি। আসামীরা আমাকে মেরে ফেলার জন্য প্রকাশ্যে বাড়ির আশপাশে ঘুরাঘুরি করছে। আমি আতঙ্কে দিন যাপন করছি।

তিনি আরো বলেন, থানা পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোন সহযোগিতা পাইনি। আমি এ ঘটনায় দ্রুতই আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে দেলদুয়ার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা মামলা নিয়েছি। আসামী গ্রেপ্তারের তৎপরতা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কর্মসংস্থানের খোঁজে নেত্রকোনা টিটিসিতে চাকরি মেলা, সিভি দিলেন ১৪৪ জন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন