যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তেহরান হয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাবে, নতুবা “ভয়াবহ পরিণতি” ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আমি আর খুব বেশি ধৈর্য ধরছি না। তারা চুক্তি করতে পারে, না হলে ধ্বংস হয়ে যাবে।” তিনি দাবি করেন, যে কোনো বিবেকবান দেশ আলোচনায় বসতে চাইবে, তবে ইরান ভিন্ন পথে হাঁটছে। ইসরায়েলভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যম শুক্রবার এ তথ্য প্রকাশ করে।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়ন করতে দেবে না। তার ভাষায়, “তারা এটি ব্যবহার করবে।” ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেটি ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকাই ভালো।
তিনি অভিযোগ করেন, যুদ্ধবিরতির পরও ইরান সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প বলেন, “তারা যা-ই করছে, আমরা সব জানি। আমরা একদিনেই সব শেষ করে দিতে পারি।”
এদিকে শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউস জানায়, দুই নেতা একমত হয়েছেন যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।
ট্রাম্প দাবি করেন, বৈঠকে চীন জানিয়েছে তারা ইরানকে কোনো সামরিক সহায়তা দেবে না। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি তেল কেনার আগ্রহও প্রকাশ করেছে বেইজিং।
পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলু-পেঁয়াজ রপ্তানির বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর
আর/


