যশোরে ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট করার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটার রেশমা বেগম ওরফে তাসনিম ফুয়াদ এবং ডালিয়া খাতুন কে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর মুচলেকায় পরিবারের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার দুপুরে যশোর শহরের পুলিশ লাইন পার হয়ে কদমতলা এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ওই দুই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটার তাদের ফেসবুক আইডিতে প্রচার করেন যে, পুলিশ লাইন থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহল পর্যন্ত গড়ায়। পরে মঙ্গলবার সকালে ওই দুইজনকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডাকা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার নিজে তাদের ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, অভিযোগ রয়েছে তারা প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে থাকেন। তদন্তে উঠে এসেছে, কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও নিজেদের ফেসবুকে পোস্ট করে সেটিকে যশোরের ঘটনা বলে প্রচার করা হয়। এছাড়া মনিরামপুরের একটি পারিবারিক ঘটনাকে ডাকাতির ঘটনা বলে পোস্ট করেছিলেন তাসনিম ফুয়াদ।
ওসি আরও জানান, ডালিয়া খাতুনের বিরুদ্ধেও এর আগে নানা অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ পুলিশ লাইন থেকে মরদেহ উদ্ধারের ভুল তথ্য প্রচার করায় তাদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডাকা হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট না করার শর্তে তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে দ্বিতীয়বার একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মাসুম খান।
পড়ুন : চেয়ারম্যান প্রার্থী কর্তৃক প্রাণনাশের হুমকি প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবাদ


