পাকিস্তানে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সানা ইউসুফ হত্যার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। এই রায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
আজ বুধবার বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
আদালতের রায়ে বলা হয়, গত বছর জুনে অভিযুক্ত উমর হায়াত ১৭ বছর বয়সী টিকটক তারকা সানা ইউসুফের বাড়িতে ঢুকে তাকে গুলি করে হত্যা করে।
এরপর ওই বছর জুলাইতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নিজের অপরাধ স্বীকার করে উমর। তদন্তে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের কিছুদিন আগে তিনি ইসলামাবাদে গিয়ে সানার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে চেয়েছিলেন। তবে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরেই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানায় পুলিশ।
আদালত অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি নিহতের পরিবারকে ২৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
নিহত সানা ইউসুফ সামাজিক মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। টিকটকে তার ১০ লাখেরও বেশি অনুসারী ছিল। ফ্যাশন, গান ও দৈনন্দিন জীবনের হাসিখুশি ভিডিওর মাধ্যমে তিনি তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।
তার হত্যাকাণ্ড নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার বড় একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তবে ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ভিন্নমতও দেখা গেছে, যেখানে কেউ কেউ তার কনটেন্ট নিয়েও সমালোচনা করেছেন।
তদন্তের সময় পুলিশ রাজধানী ইসলামাবাদ ও পাঞ্জাব প্রদেশে একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করে।
এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে এমন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন নিহতের পরিবার। সানা ইউসুফের বাবা রায়কে সমাজের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পড়ুন:‘মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না কাজ করার জন্য’
দেখুন:পলাতক চেয়ারম্যানের প্রত্যাবর্তনের খবরে উত্তাল জামালপুর |
ইমি/


