পাকিস্তানের নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিখ-ই-তালিবান এবং এর বিচ্ছিন্ন উপদল টিটিপি জামায়াতুল আহরারের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। খাইবার পাখতুনখোয়ার কুর্রাম উপজাতীয় জেলার ভেতরে দুই পক্ষের কমান্ডারদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে এই সংঘর্ষ শুরু হয় বলে শুক্রবার স্থানীয় সূত্রে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনকে জানানো হয়।
সূত্র অনুযায়ী, মধ্য কুর্রামের মানাতো এলাকায় এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। ঘটনার আগে তেহরিখ-ই-তালিবানের কেন্দ্রীয় শুরা কিছু জেইউএ কমান্ডারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর স্থানীয় টিটিপি কমান্ডারদের নির্দেশ মেনে অস্ত্র সমর্পণ করতে বলা হলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সূত্রগুলো দাবি করেছে, সংঘর্ষে জেইউএ-এর ১৯ জন যোদ্ধা নিহত হন, আর টিটিপি’র ৩ জন সদস্যও প্রাণ হারান।
আরও জানা যায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একটি জিরগা (উপজাতীয় সমাবেশ) ডাকা হয়েছিল। তবে সেই বৈঠকের সময় দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় শুরু হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়।
এদিকে জেইউএ এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে নিহত সদস্যদের ছবি প্রচার করেছে বলে সূত্র জানায়।
অন্যদিকে, নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর ওয়াজিরিস্তানের শাওয়াল ও স্পিনওয়াম এলাকায় সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী কমান্ডার জান মির নিহত হন। তার সঙ্গে আরও প্রায় ৩০ জন সশস্ত্র সদস্য মারা গেছে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, জান মির বিস্ফোরক ও আইইডি (ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইসেস) ব্যবহারে বিশেষজ্ঞ ছিলেন এবং কৌশলগত দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন।
পড়ুন : পাকিস্তানে নতুন দল ‘তেলাপোকা’ আওয়ামী লীগের আত্মপ্রকাশ


