বিজ্ঞাপন

ঐশ্বরিয়া এলো রেড কার্পেটে, আজ ছিল কানের শেষ দিন

কান চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬- এর লাল গালিচায় অবশেষে দেখা মিললো বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও জল্পনার পর, তার নীলাম্বরী রূপ ও জমকালো উপস্থিতিতে সবাই রীতিমত মুগ্ধ। ঐশ্বরিয়া এলো রেড কার্পেটে, আজ ছিল কানের শেষ দিন।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কানের রেড কার্পেটে হাজির হন তিনি। প্রথম উপস্থিতিতে নীলাভ ক্রিস্টাল ও ভাস্কর্যধর্মী নকশার কৌচার গাউনে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে। ডিজাইনার অমিত আগরওয়াল-এর তৈরি পোশাকটি তৈরিতে সময় লেগেছে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ঘণ্টা। এতে ব্যবহার করা হয়েছে হাজার হাজার ক্রিস্টাল।

এরপর আরেকটি উপস্থিতিতে ব্লাশ পিংক কৌচার লুকে আবারও নজর কাড়েন এই অভিনেত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দুই লুকই ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ফ্যাশন সমালোচকরা বলছেন, এবারের কানে ‘সবচেয়ে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন’ করেছেন ঐশ্বরিয়া। অনেকেই তাকে ‘কানের অবিসংবাদিত রানি’ বলেও উল্লেখ করছেন।

বিজ্ঞাপন


বিশেষ করে তার নীল গাউনের সঙ্গে সফট কার্লস, নীল পাথরের অলংকার এবং শিয়ার ড্রেপ স্টাইল আন্তর্জাতিক ফ্যাশনমাধ্যমেও প্রশংসিত হয়েছে। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে কান উৎসবের নিয়মিত মুখ হলেও এবারের উপস্থিতিকে অনেকে তার অন্যতম স্মরণীয় রেড কার্পেট মোমেন্ট হিসেবে দেখছেন।

প্রতি বছরই মা ঐশ্বরিয়ার হাত ধরে কান চলচ্চিত্র উৎসবে দেখা মেলে আরাধ্যা বচ্চন-র। তবে ২০২৬ সালের কান মঞ্চটি আরাধ্যার জন্য ছিল আরও বিশেষ। কারণ, এবারই আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে নিজস্ব উপস্থিতি দিয়ে আলোচনায় এলেন তিনি।

ল’রিয়াল প্যারিসের বার্ষিক ‘লাইটস অন উইমেনস ওয়ার্থ’ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে মা ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে হাজির হন আরাধ্যা। লাল গাউনে আরাধ্যাকে যেমন উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল, তেমনি গোলাপি পোশাকে বরাবরের মতোই মোহময়ী রূপে ধরা দেন ঐশ্বরিয়া।

অনুষ্ঠানে আরাধ্যার পরনে ছিল লাল রঙের একটি গাউন। এর সঙ্গে মিলিয়ে তিনি পরেছিলেন জমকালো একটি কেপ। বরাবরের মতো সামনের চুল দিয়ে মুখ ফ্রেম করা থাকলেও বাকি চুল খোলা রেখেছিলেন তিনি।

অন্যদিকে, চলতি বছরের কানে দ্বিতীয় উপস্থিতিতে ঐশ্বরিয়া বেছে নিয়েছিলেন গোলাপি রঙের একটি কৌচার পোশাক। তার পোশাকেও ছিল আরাধ্যার মতো কেপের ব্যবহার। পুরো পোশাজুড়ে ছিল ফুল ও রুচিংয়ের সূক্ষ্ম কাজ।

পড়ুন : কানে জমে উঠেছে সিনেমা বাণিজ্য, আলোচনায় বড় বড় আন্তর্জাতিক চুক্তি

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন