বিজ্ঞাপন

মোরগ পোলাওয়ের প্যাকেটে আস্ত ব্যাঙ, জরিমানা গুনলো খাবার ব্যবসায়ী

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা-এ মোরগ পোলাওয়ের প্যাকেট খুলতেই বেরিয়ে এলো আস্ত একটি ব্যাঙ! এমন অবিশ্বাস্য ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের খাবার পরিবেশনের সময় ব্যাঙটি চোখে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সবাই। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম নেয়।

ঘটনাটি সোমবার (১ জুন) উপজেলার একটি খাবারের দোকান নান্না বিরিয়ানি হাউজ-কে কেন্দ্র করে ঘটে। অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত চালিয়ে ঘটনার সত্যতা পায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাসিন্দা আতোয়ার রহমান ও আশিকুর রহমান পরিবারের সদস্যদের জন্য পাঁচ প্যাকেট মোরগ পোলাও কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। খাবার পরিবেশনের সময় একটি প্যাকেটের ভেতরে সম্পূর্ণ একটি মৃত ব্যাঙ দেখতে পান তারা। এমন দৃশ্য দেখে পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন। বিশেষ করে শিশুদের জন্য খাবার পরিবেশনের সময় ঘটনাটি ধরা পড়ায় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়।

ঘটনার খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। অনেকেই খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পরে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। তদন্তে খাবারের প্যাকেটে ব্যাঙ থাকার বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের ঘটনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অবহেলাই নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি। তারা নিয়মিত বাজার তদারকি ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : তানোরে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমির পাকা ধানে আগুন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন