বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানার ওসির বিরুদ্ধে দুদক বরাবর লিখিত আবেদন

টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেওএম তৌফিক আজমের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ দাবি ও মামলা না নেওয়ার অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় ঠিকাদার এস.এম. মামুন অর রশিদ। আবেদনের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আবেদনকারী এস.এম. মামুন অর রশিদ তার অভিযোগে দাবি করেন, গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ধলা টেঙ্গুর বালুর ঘাট থেকে তার দুটি গাড়ি, দুই ড্রাইভার ও ছেলে সিহাবকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ছিনতাই ও অপহরণ করে নিয়ে যায়। তিনি কালিহাতী থানার এসআই তপন কুমারকে বিষয়টি জানান। পরে ড্রাইভারদের ছেড়ে দেওয়া হলেও গাড়ি দুটি নিকরাইল বাজারে রেখে যাওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, পরের দিন ৩০ এপ্রিল টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারকে অবগত করার পর কালিহাতী থানা পুলিশ গাড়ি দুটি উদ্ধার করে থানায় রাখে। এ বিষয়ে ওসি তৌফিক আজমের সঙ্গে কথা বললে ওসি তার কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় ওসি তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং কোর্টে মামলা করতে বলেন বলে দাবি করেন মামুন অর রশিদ।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, ৪ মে ২০২৬ তারিখে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত তা আমলে নিয়ে ৫ মে থানায় পাঠায়। এরপরও ওসি মামলাটি নিতে গড়িমসি করেন এবং আওয়ামী লীগের কিছু ব্যক্তির পক্ষ নিয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে আবেদনে বলা হয়।

মামুন অর রশিদের ভাষ্য, ১৭ মে রাতে বাড়ি থেকে কালিহাতী আসার পথে এসআই রাব্বানির ফোন থেকে তার হোয়াটসঅ্যাপে মিস কল আসে। এরপর দুটি মোটরসাইকেল তাকে ধাওয়া করে। ভয়ে তিনি সারারাত ধানক্ষেতে অবস্থান করেন। এরপর ০১৬১৬-২৪০১১৪ নম্বর থেকে ফোন করে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। ২১ মে ওই নম্বর থেকে ফোন করার সময় ৩টি মোটরসাইকেল তার বাসা পর্যন্ত চলে আসে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনকারী বলেন, ১৯ মে সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হওয়ার পর থানা মামলাটি গ্রহণ করে। তবে ওসি ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগের কথিত দোসরদের পক্ষে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আবেদনে তিনি একজন নিরীহ ঠিকাদার হিসেবে ব্যবসা করে শান্তিতে বসবাসের আকুতি জানিয়ে ওসির বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ ও দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পঙ্গু হাসপাতালে অস্ত্র ঠেকিয়ে হুমকি, পিচ্চি রাকিব গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন