শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নবনির্মিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু এবং মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালেও চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামীলিগের সাবেক পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম এনামুল হক শামীম।
রবিবার (৭ জুন) রাতে শামীম তাঁর ভেরিভাইড ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ দাবি জানান।
তিনি লিখেন, অবিলম্বে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু করুন এবং মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালেও চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখুন।
নড়িয়া উপজেলায় কোন পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ছিল না। ঐতিহ্যবাহী মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেন সমগ্র নড়িয়া উপজেলার মানুষ। ২০১৮ সালে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালের উল্লেখযোগ্য অংশ। ২০১৯ সালে আমরা হাসপাতালটি সংস্কার করে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখি এবং মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ও ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করি এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে একটি অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করি।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ নেতা এনামুল হক শামীম আরও লিখেন, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নড়িয়ার মানুষের অত্যাধুনিক চিকিৎসা সেবার জন্য ৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে নড়িয়া পৌরসভায় ৫০শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল (পাঁচটি আইসিইউ বেড সহ) নির্মাণ করে দেন। ৪ তলার হাসপাতালটির মূল ভবনের পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্সদের নতুন কোয়ার্টারসহ রয়েছে আরও ৫টি ভবন। ২০২৪ সালে জুলাই মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ণাঙ্গ কাজ সম্পন্ন করা হয়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স উদ্বোধনের জন্য তারিখও নির্ধারিত ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি দুই বছর পূর্বে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলেও এখনো চালু করা হয়নি। যার ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সমগ্র নড়িয়ার মানুষ।
তিনি আরোও বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল নড়িয়া উপজেলা হাসপাতালটির পাশাপাশি মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালেও চিকিৎসা সেবা চালু থাকবে। মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালটি একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল করার পরিকল্পনা ছিল আমাদের।
আমি অবিলম্বে নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু করার এবং মুলফৎগঞ্জ হাসপাতালটির চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখে বিশেষায়িত হাসপাতালে রূপান্তরিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
পড়ুন:কুড়িগ্রামে সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি
দেখুন:কেন পাচারের টাকা ফেরাতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার? |
ইমি/


