বিজ্ঞাপন

ক্রয়কৃত জমি ও ঘরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ডিভোর্স দেওয়া স্বামীর বিরুদ্ধে

ভোলায় ক্রয়কৃত জমি ও বসতঘরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর সদ্য সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার (১৩ই জুন) সন্ধ্যায় এ অভিযোগ করেন দুই সন্তানের জননী লাকি আক্তার মরিয়ম।

বিজ্ঞাপন


ভুক্তভোগী লাকি আক্তার মরিয়ম জানান, ২০১২ সালে ভোলার কালীবাড়ী রোডের ভদ্রপাড়া এলাকায় ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক পারিবারিকভাবে মামুন নামের এক যুবকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি সন্তান জন্ম নেয় এবং দীর্ঘদিন তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করেন।


তার অভিযোগ, একপর্যায়ে তার স্বামী বিভিন্ন নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং ধীরে ধীরে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে বিষয়টি বিবাহ বিচ্ছেদে গড়ায়।


লাকি আক্তার মরিয়ম দাবি করেন, বিবাহিত জীবনে তিনি তার শাশুড়ির কাছ থেকে নগদ অর্থের বিনিময়ে ৬ শতাংশের একটি বসতবাড়ি ক্রয় করেন। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের পর তার সদ্য সাবেক স্বামী তাকে ওই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন এবং জমি ও ঘরে প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন। ১৩ জুন লাকিকে তার ননদ ও শ্বাশুড়ি জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা লাগিয়ে দেয়। পরে লাকি বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অনেক চেষ্টা করেও তালা খুলে লাকিকে ঘরে প্রবেশ করাতে না পেরে সেখান থেকে চলে আসে। লাকি আক্তার তার দুই সন্তান নিয়ে ঘরের বাহিরে অবস্থান নেন।


তিনি আরও বলেন, “আমি আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। দ্রুত আমার ক্রয়কৃত জমি ও বাড়ি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুন বলেন, “আমাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তাকে এমাসের গত ৮ই জুন ডিভোর্স দেওয়া হয়েছে। বিচ্ছেদের পর তাকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বলা হলেও তিনি এখনও সেখানে অবস্থান করছেন।”


তিনি আরও দাবি করেন, তার শারীরিকভাবে অসুস্থ বৃদ্ধ মায়ের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ৬ শতাংশ জমির দলিল করে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পড়ুন- আবু সাঈদ হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন