জলপথটি পুনরায় সচল করার চুক্তি হলেও হরমুজ প্রণালীকে সম্পূর্ণ মাইনমুক্ত নিশ্চিত করতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল শুরু হতে আরও কয়েক সপ্তাহ দেরি হতে পারে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের বিবেচনা অনুযায়ী, প্রচলিত মাইনসুইপার জাহাজ এবং অত্যাধুনিক ডুবো ড্রোনের সমন্বয়ে এই মাইন অপসারণ অভিযান প্রায় ৪০ থেকে ৫০ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে বিশ্বের বড় বড় বীমা, জাহাজ বা তেল কোম্পানিগুলো এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ দিয়ে তাদের নৌযান চালানোর ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী হতে পারছে না। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ লাইনে থাকা কয়েক কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মাঝপথেই আটকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিপিং অ্যাসোসিয়েশন বিমকো -এর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা জ্যাকব লারসেন বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই মুহূর্তে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর যাতায়াত শুরু করাকে আমরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছি।
তিনি আরও যোগ করেন, এই এলাকায় মাইনের হুমকি অবিলম্বে এবং ভবিষ্যতেও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই নিরাপদ জাহাজ চলাচলের জন্য সবার আগে একটি সম্পূর্ণ মাইনমুক্ত ও সুরক্ষিত পথ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
পড়ুন : জি-৭ সম্মেলনের আগে বিক্ষোভে উত্তাল জেনেভা, টেসলায় আগুন


