বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জে পাইকপাড়া মডেল হাই স্কুলে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকপাড়া মডেল হাই স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ছাইদুল ইসলাম অবসরে যাওয়ার এক মাসেরও বেশি সময় পার হলেও দায়িত্ব হস্তান্তর না করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া মডেল হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেন শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থীরা।

তারা অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ১৮ মে প্রধান শিক্ষক হিসেবে মো. ছাইদুল ইসলামের চাকরির মেয়াদ শেষ হলেও তিনি এখনো দায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি। এতে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষা কার্যক্রমেও নানা জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, অবসর গ্রহণের পরও প্রধান শিক্ষক দায়িত্বে বহাল থাকায় বিদ্যালয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব হস্তান্তর করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।

সহকারী প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একজন সরকারি বিধি অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির দায়িত্বে বহাল থাকা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সৃষ্টি করছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত প্রশাসনিক জটিলতার সমাধান দাবি করেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তারা বাধ্য হয়ে মানববন্ধনের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও তারা সতর্ক করেন।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক শ্যামল কুমার দাস, আবুল কালাম, মাহবুবুর রহমান, আশরাফ আলী, বিউটি খানম, নন্দিতা দাস, শিপ্রা রানী, হুসনে আরা খাতুন, হাফিজুর ইসলাম ও হোসেন মোহাম্মদ মুরাদসহ শিক্ষার্থী ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুন- মিশরের ইতিহাস, দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপে প্রথম জয়

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন