বিজ্ঞাপন

প্রতিদিন ডিম খাচ্ছেন, শরীরে যেসব পরিবর্তন আসতে পারে 

বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের শুরুতে পুষ্টিকর নাশতা শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যাচারোপ্যাথ জুলিয়েট আন্দ্রেউ জানিয়েছেন, ডিম প্রকৃতির অন্যতম পুষ্টিকর খাবার এবং এটি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। ডিমে উচ্চমানের প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, বিভিন্ন ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ রয়েছে। তবে যাদের ডিমে অ্যালার্জি বা অসহিষ্ণুতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদের জন্য প্রতিদিন সকালে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

এবার প্রশ্ন আসতে পারে ন্যাচারোপ্যাথ আসলে কি। তাদের সুবিধার জন্য বলছি আসলে ন্যাচারোপ্যাথি হলো প্রাকৃতিক উপাদান। এটা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখার একটি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে এতে ওষুধের উপর নির্ভর করা হয় না বরং  শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় ক্ষমতাকে কাজে লাগাতে সাহায্য করে। 

একসময় ডিমকে কোলেস্টেরলের জন্য অনেকেই ডিম খেতেন না। তবে বর্তমানে গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করা কোলেস্টেরল অধিকাংশ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে রক্তের কোলেস্টেরলকে আগের ধারণার মতো ক্ষতিকরভাবে প্রভাবিত করে না। বরং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে ডিম নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার হতে পারে। জুলিয়েট আন্দ্রেউর মতে, সকালে মিষ্টি খাবার এড়িয়ে প্রতিদিন দুইটা করে ডিম খেলে শরীরের প্রতিবর্তন চোখে পরবে। এ হ্ন্য দুই থেকে তিন সপ্তাহ প্রতিদিন সকালে ২টি ডিম খেতে পরামর্শ দেন তিনি।  

ডিমে থাকা কোলিনের কারণে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত হয়। সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।    

হরমোনের ভারসাম্য

ডিম খেলে হরমোনের ভারসাম্য আসে। কারণে ডিমে থাকা কোলেস্টেরল প্রোজেস্টেরন, ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সহ বিভিন্ন  হরমোন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়

ডিমে লুটেইন এবং জিয়াজ্যান্থিন নামক দুটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। শুনতে অবাক লাগলেই এটা ব্লু লাইট বা নীল আলো ফিলটার করতে এবং স্ক্রিনের সংস্পর্শ থেকে চোখকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। 

স্বাস্থ্যকর চুল ও ত্বক 

ডিম সালফারে সমৃদ্ধ, যা কেরাটিনে পাওয়া যায়। এতে বায়োটিনও রয়েছে, যা স্বাস্থ্যকর চুল, নখ এবং ত্বকের জন্য অপরিহার্য একটি বি ভিটামিন। মেথিওনিনের মতো সালফার-ভিত্তিক অ্যামিনো অ্যাসিড লিভারের ডিটক্সিফিকেশন এবং কেরাটিন উৎপাদনে সহায়তা করে, যা উভয়ই চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় অবদান রাখে।

ডিম রান্নার সেরা উপায়

বিশেষজ্ঞের মতে, খুব বেশি তাপে ডিম রান্না না করাই ভালো। হালকা সেদ্ধ বা পোচ করা ডিমে কুসুম কিছুটা তরল থাকায় তাপ-সংবেদনশীল কিছু পুষ্টি উপাদান তুলনামূলকভাবে ভালোভাবে সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে, অতিরিক্ত উচ্চ তাপে দীর্ঘসময় রান্না করলে কিছু ভিটামিনের পরিমাণ কমে যেতে পারে এবং চর্বির গুণগত মানও কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।

পড়ুন:নতুন করে আইনি চাপে পড়েছে মেটা

দেখুন:যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের চ্যালেঞ্জ? দুই পরাশক্তির সং/ঘাত আসন্ন

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন