বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার লেপসিয়া লঞ্চঘাটে জনতার হাতে গাঁজাসহ নারী কারবারী আটক

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় চাকুয়া ইউনিয়নের লেপসিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন স্থানীয় জনতা। বিশেষ করে নারী মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে চলমান প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের ভূমিকা এলাকায় বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ রাজনা বেগম (৪০) নামে এক নারী মাদক কারবারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। আটক রাজনা বেগম লেপসিয়া এলাকার মহরম আলীর স্ত্রী।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৪ জুলাইি) খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিরউদ্দিন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে লেপসিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে জনমনে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছিল। এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে স্থানীয় বাসিন্দা ও লঞ্চঘাট কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে ধারাবাহিক নজরদারি ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ওই এলাকায় মাদক বিক্রির প্রাক্কালে রাজনা বেগমকে হাতেনাতে আটক করে জনতা। পরে তাকে লেপসিয়া পুলিশ ফাঁড়ির মাধ্যমে খালিয়াজুরী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

লেপসিয়া লঞ্চঘাটের ইজারাদার মোহাম্মদ সেলিম মিয়া কাঞ্চন জানান, নৌ-অধিদপ্তর থেকে এক বছরের জন্য ঘাট ইজারা নেওয়ার পর থেকেই তারা সরকারি খাজনা আদায়ের পাশাপাশি মাদক নির্মূলকে অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন। তিনি বলেন, “নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবরের ঘোষিত মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে আমরা এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি। ঘাট পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ পর্যন্ত তিনজন মাদক কারবারীকে আমরা ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছি।”

লেপসিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, স্থানীয় জনগণের সহায়তায় আটককৃত নারীকে আইনি ব্যবস্থার জন্য থানায় পাঠানো হয়েছে।

খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিরউদ্দিন জানান, আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু শেষে আজ (শনিবার) দুপুরের দিকে আসামিকে নেত্রকোনা জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পড়ুন : জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন