বিজ্ঞাপন

নতুন তথ্য দিলেন জুকারবার্গ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিপুল বিনিয়োগ করলেও এখনো প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি মেটা। এমনটাই জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা Mark Zuckerberg। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে এআই এজেন্ট উন্নয়নের কাজ কোম্পানির প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোয়নি এবং নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর পূর্ণ সুফলও এখনো পাওয়া যাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি এক অভ্যন্তরীণ সভায় কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন জুকারবার্গ। সেখানে তিনি স্বীকার করেন, এআই এজেন্ট তৈরির প্রকল্পে অগ্রগতি প্রত্যাশার তুলনায় ধীর। তবে আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে এআই-সংক্রান্ত বিনিয়োগের ইতিবাচক ফল দৃশ্যমান হতে শুরু করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চলতি বছরের শুরুতে Meta প্রায় আট হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। একই সময়ে আরও প্রায় সাত হাজার কর্মীকে বিভিন্ন এআই বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। এর অংশ হিসেবে ‘এজেন্ট ট্রান্সফরমেশন’ নামে একটি নতুন দলও গঠন করা হয়েছে, যার লক্ষ্য এআই এজেন্ট উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা।

জুকারবার্গ বলেন, কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পুরোপুরি মসৃণ ছিল না। তবে প্রযুক্তি খাতের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রতিষ্ঠানটিকে কঠিন ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি মনে করেন, নতুন এআইকেন্দ্রিক কাঠামোর সুফল পেতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

এদিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেটার নতুন এআই ইউনিটে কাজের চাপ ও কর্মপরিবেশ নিয়ে অনেক প্রকৌশলী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভেতরে আলোচনা চলছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে মেটা। ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে এআই প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে জুকারবার্গের সাম্প্রতিক মন্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, বিপুল বিনিয়োগের পরও প্রত্যাশিত মানের এআই এজেন্ট তৈরি করতে মেটার আরও সময় ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

পড়ুন:বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান: প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে আটক ৮২

দেখুন:ইংল্যান্ডের ৩২০ বছর পুরোনো চা এখন মালিবাগে 

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন