বিজ্ঞাপন

হবিগঞ্জে বেশিরভাগ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত

টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হবিগঞ্জ জেলার বেশিরভাগ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো সময় বিপৎসীমার অতিক্রম করতে পারে। জনগনের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), হবিগঞ্জ কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, জেলার অধিকাংশ নদীর পানি বাড়ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় খোয়াই নদীর বাঁধাঘাট (চুনারুঘাট) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ২.২০ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। খোয়াই নদীর শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার ও হবিগঞ্জের মাছুলিয়া স্টেশনে ১১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া কুশিয়ারা নদীর শেরপুর (নবীগঞ্জ) স্টেশনে পানি এখনও বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বাড়ছে। মার্কুলি (বানিয়াচং) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। কালনী-কুশিয়ারা নদীর আজমিরীগঞ্জ স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপরে এবং ধলেশ্বরী-আপার মেঘনা নদীর মান্দা (লাখাই) স্টেশনে ১৬ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অন্যদিকে সুতাং ব্রিজ (শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাই) স্টেশনে সুতাং নদীর পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। তবে সোনাই নদীর মনতলা (মোহনপুর) স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ১৯৮ সেন্টিমিটার নিচে নেমে যাওয়ায় সেখানে পানি কমছে।

হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, উজানে ও দেশের অভ্যন্তরে প্রচুর পরিমান বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল বুধবার দুপুরের পর থেকেই খোয়াই ও কুশিয়ারাসহ বেশিরভাগ নদীতে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে থাকে। আজও জেলার সবক’টি নদ-নদীতেই পানি বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন জেলার নদ-নদীর পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, এখনও পর্যন্ত আমরা বন্যার কোন পুর্বাভাস পাইনি। পুর্বাভাস পেলে যদি বন্যা হয় তবে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করব। আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।

পাউবোর তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ৬১.৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পড়ুন : জাতীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন