আব্দুস সামাদ একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে গ্রামের নিরীহ মানুষকে জাল দলিল এর মাধ্যমে হয়রানী ও জালিয়াতির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। প্রতারক আব্দুস সামাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ভূয়া মামলায় এনসিপি নেতা আরিফ মুন সহ ৫ জন জেল হাজতে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ও সত্য ঘটনা উন্মোচন করে মিথ্যা মামলা থেকে এনসিপি নেতা আরিফ মুন সহ ৫ জনের মুক্তি দাবী করে সংবাদ সম্মেলন ও মানব বন্ধন করেছেন সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়ন এলাকাবাসী।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবে দরবারপুর গ্রামবাসীর পক্ষে আকলিমা বেগম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন , সদর উপজেলার খোসালপুর গ্রামে আমার দাদাশ^শুরের নামে ৫০ শতক জায়গা রয়েছে। জায়গাটি আমাদের দখলে না থাকায় কাগজপত্র এবং দলিল করে দিবে বলে আব্দুস সামাদ জানায়। সেটেলম্যান্ট অফিসারের সঙ্গে আব্দুস সামাদের সুসম্পর্ক রয়েছে এমন কথা বলে । জমির দলিল করে দিবে এই অজুহাতে সরল বিশ^াসে আব্দুস সামাদকে পর্যায়ক্রমে ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করি। ঐ জায়গায় বাড়ী নির্মান করে আমরা বসবাস করতে শুরু করি। পরে জানতে পারি আব্দুস সামাদ দিনাজপুর সেটেলম্যান্ট অফিসের স্বাক্ষর ও সীলযুক্ত সিএস নং -৩২১ খতিয়ানের কাগজ দেয়। যাচাই করে দেখা যায় ভূয়া দলিল।
আকলিমা জানায় , ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা আব্দুস সামাদের কাছে ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা শুরু করে। বিষয়টি উপজেলা যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক আজমির হোসেন কে জানালে। টাকা উদ্ধারের জন্য এনসিপি নেতা যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগাঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন ৫ জুলাই শহরের লিলিড়মোড়ে আব্দুস সামাদের কাছে পাওনা টাকা ফেরত চান। একসময় আব্দুস সামাদ তার ছেলে মামুনকে ফোন দেয়। মামুন পুলিশকে খবর দিলে । বড়মাঠ থেকে পুলিশ আরিফ মুন,আজমির হোসেন,মোঃ হাসিন ইশরাকমিমসহ ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কোতযালী থানায় বিশেষ একটি দলের নেতাকর্মীরা মব সৃষ্টি করে রাজনৈতিক চাপের মুখে আব্দুস সামাদের ছেলে মামুনের দায়েরকৃত মামলায় আরিফ মুনসহ ৫ জনকে জের হাজতে পাঠানো হয়। আব্দুস সামাদকে অপহরন বা চাঁদা দাবী করে নাই।
আমরা মনে করি আসামীগন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান , শিক্ষিত। তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের স্বীকার। আমরা গ্রামবাসী পুলিশ প্রশাসন ও বিজ্ঞ আদালতের কাছে মিথ্যা মামলার সঠিক তদন্ত ও ন্যায় বিচার চাই।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্তিত ছিলেন সুন্দরপুর ইউনিয়নের দরবারপুর গ্রামের মমতাজ বেগম, মোছ্ছামৎ ঋতু,আকলিমা, জবা খাতুন,সুরমা , এবং মাহবুমা আকতার রুনী প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলন শেষে দরবারপুর গ্রামের নারী পুরুষ মিথ্যার মামলায় জেল হাজতে আরিফ মুনসহ ৫ জনের মুক্তি দাবী করেন।
পড়ুন:কুষ্টিয়ায় হাসপাতাল থেকে দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন পা গায়েব
ইমি/


