বিজ্ঞাপন

জনদুর্ভোগের অবসান: কলমাকান্দায় রাস্তা মেরামত কাজের উদ্বোধন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলা সদরের দীর্ঘদিনের বেহাল একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মেরামত কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সহায়তায় এবং কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কাজের সূচনা হয়। এর মধ্য দিয়ে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান হতে যাচ্ছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কাজের শুভ সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম, সমাজসেবক মো. মজিবুর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান এবং কলমাকান্দা বাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি এম. আলমগীর তালুকদারসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছিল। এতে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটার পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন সাধারণ পথচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ত। বিশেষ করে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে যাওয়ার ক্ষেত্রে রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো।

সড়কটির মেরামত কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার শেষ হলে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে নতুন গতি আসবে।

জনদুর্ভোগ লাঘবে এমন জনসেবামুখী ও ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করায় স্থানীয় সংসদ সদস্য, ইউনিয়ন পরিষদ ও প্রশাসনের প্রতি সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। যোগাযোগ ব্যবস্থার এই উন্নয়ন এলাকার সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দিনাজপুরে চাকুরী জাতীয়করণসহ ৮ দফা দাবীতে আলোচনা সভা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন