যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে তেহরান। মার্কিন বাহিনীর নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরানের সামরিক বাহিনী।
দেশ দুটিতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় চালানো এই হামলায় অস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। কুয়েত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দেয়ার কথা জানালেও দেশটির একটি স্থাপনায় আগুন লাগার খবর সামনে এসেছে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ওই হামলায় ‘শত্রুপক্ষের জাহাজ ও উড়োজাহাজের জন্য ব্যবহৃত একাধিক অস্ত্র ও যন্ত্রাংশ সংরক্ষণাগার’ ধ্বংস করা হয়েছে। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, কুয়েতের আলি সালেম ঘাঁটিতে এমকিউ-৯ ড্রোন মোতায়েনের র্যাম্পে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।
এর আগে কুয়েত জানিয়েছিল, তাদের আকাশসীমায় ‘শত্রুপক্ষের প্রজেক্টাইলের’ বিরুদ্ধে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। একই সময়ে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় চতুর্থবারের মতো বাহরাইনে বিমান হামলার সতর্কসংকেত (এয়ার রেইড সাইরেন) বেজে ওঠে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্র হয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বন্ধ ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক হলেও, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের হামলায় লক্ষ্যবস্তু হওয়া কুয়েতের একটি স্থাপনায় আগুন লাগলেও তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কুয়েতের সরকারি বার্তাসংস্থার বরাত দিয়ে দেশটির ফায়ার ফোর্স জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
পড়ুন : বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন, ফ্রান্সের বিদায়
সা/


