বিজ্ঞাপন

দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ কৃষকের বোরো ধান নষ্ট

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কৃষকের প্রায় দুই বিঘা জমির বোরো ধান নষ্ট হয়ে গেছে।আদালতের আদেশ থাকা সত্তেও পুলিশ আর প্রতিপক্ষের গাফিলতিতে প্রায় ৬০ মন ধান জমিতেই পঁচে যায়।এতে আর্থিকভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয় বাদী। তিনি প্রশাসনের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়,ভোগদখলীয় জমি দীর্ঘদিন ধরে জুয়েলের মা ফজিলা খাতুন চাষ করে আসছিল। হঠাৎ করেই টেপরীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ রেজাউল করিম শতাধিক লোকজন নিয়ে জমি দখল করতে আসে মারপিট করে।পরে তারা আদালতে মামলা দায়ের করে।গত মৌসুমের আমন ধান ঘরে তোলার সময় জুয়েলের নামে মামলা করে রেজাউল।পুলিশ তাকে আটক করে হাজতে পাঠায়।এই সুযোগে তারা ধান কেটে নিয়ে যায়।এ মৌসুমে আবারও জুয়েল বোরো ধান চাষ করে। কিন্তু ধান কাটার সময় পুলিশ আসে বাধা দেয়।পরে আদালতে পিটিশন দিলে প্রতিপক্ষরাও পিটিশন দেয়।এতে বিচারক দুই পক্ষের উপস্থিতিতে ধান কেটে খরচ বাদ দিয়ে, ধান বিক্রির অবশিষ্ট টাকা বার কাউন্সিলের সভাপতি সম্পাদকের কাছে জমা রাখতে পুলিশকে নির্দেশ দেয়।দুইদিন পর পুলিশের কাছে আদেশের কপি পৌঁছে কিন্তু পুলিশ আরো চারদিন পর ঘটনাস্থলে যায় এবং শ্রমিক ঠিক করে।ধান কাটা মাড়াই খরচ কোন পক্ষ দিতে না চাওয়ায়, পুলিশ আরো দুইদিন পর ধান কেটে খরচ উঠবেনা মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দেন।

খন্দকার আব্দুল মোন্নাফ,ইদ্রিস আলী পালোয়ানসহ স্থানীয়রা জানান,এই জমিটি দীর্ঘবছর ধরে জুয়েল চাষাবাদ করে আসছেন। এটি তার জমি বলেই জানি। মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব যদি থেকেও থাকে তবে ফসলটা কেটে তৃতীয় পক্ষের কাছে রাখার প্রয়োজন ছিল।নষ্ট করা ঠিক হয়নি।ফসল তো কারো ক্ষতি করেনি। এটা দেশের ক্ষতি, দশের ক্ষতি। দ্বন্দ্ব যাই থাকুক আলোচনায় সমাধান করা যেত।

ভুক্তভোগী জুয়েল রানা বলেন, এই জমি দীর্ঘবছর ধরে আমাদের ভোগদখলীয়।কাগজপত্রও আমাদের। কাগজপত্র থাকলে দেখাতে বলেন।ওরা কাগজ দেখাবেনা জোরপূর্বক জমি দখলে নিবে।বোরো ধান চাষ করেছি কাটতে দিলনা।আমাকে আর্থিকভাবে ক্ষতি করার জন্য একাজটা করেছে।প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

অভিযুক্ত রেজাউল করিমকে একাধিক বার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নাই।

পড়ুন : বন্যার্তদের পুনর্বাসন পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন