বিজ্ঞাপন

অর্থের অভাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছে ফুলি, প্রধান মন্ত্রীর কাছে সাহায্যের প্রার্থনা

দীর্ঘ সময় ধরে অর্থের অভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে পারছেনা মোসা: ফুলবানু (ফুলি)। বাঁচার অকুতি জানিয়ে দারে দারে সহযোগিতার প্রার্থনা করছে ফুলি ও তার শুভাকাঙ্খীরা। সরকারী কোন সহযোগিতা পাইনি ফুলি। সরকার ও বিত্তবানদের কাছে চিকিৎসার অর্থের সহযোগিতা দাবি প্রতিবেশিদের।

বিজ্ঞাপন

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়ার মুছাখাঁ পাড়ার সরকারী আবাসনে বোনের ছোট্র কুটিরে যার ঠায় হয়েছে। একসময় পুঠিয়া উপজেলার কাঠালবাড়িয়া গ্রামের পরিবারের সাথে বসবাস করতো ফুলি। কিন্ত তাদের “বাব-মা” মৃত্যুর পর তারা চলে আসে সরকারী আবাসনে। ফুলিল বাবা মৃত আবদুল সোহরাব মারা যাওয়ার পর থেকে বড় বোন মোসা: সোহাগীর সরকারী আবাসনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

ফুলির বড় বোন সোহাগী নাগরীক প্রতিনিধিকে জানায়, তিনিও একজন বিধবা নারী। তিন সন্তান নিয়ে মুছাখাঁ আবাসনের একটি বাড়িতে বসবাস করছে। অতিরিক্ত থাকার জায়গা না থাকায় আবাসনের বাড়ির বারান্দায় টিন দিয়ে একটু ঠায় করে দিয়েছে ছোট বোন ফুলিকে। অভাব অনটনের সংসার নিজেদের চলতে অনেক কষ্ট হয়। ওই সময় ছোট বোনের চিকিৎসা ব্যয়ভার তাদের জন্য বিষ ফোড়ঁ। চিকিৎসক বলেছে, দ্রæত অপারেশন না করলে ফুলিকে বাচাঁনো যাবে না।

মুছাখাঁ আবাসনের একাধিক প্রতিবেশি জানায়, ফুলবানু কে ভালোবেসে “ফুলি” বলে ডাকে। কিন্ত জটিল রোগের কথা শুনে সবাই যেন শোকান্ত। যে বয়সে ফুলি স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখের সংসার গড়বে, কিন্ত নিয়তির খেলায় সব কিছুই শূন্য। ফুলির বিয়ের কিছু সময় পরে স্বামীও মারা যায়। অপরদিকে বড় বোন সোহাগীও বিধবা নারী। পরিবারের খরচ যোগান দিতে সেও ক্লান্ত। তবে ছোট বোনকে বাচাঁতে চেষ্টার ত্রæটি করছে বড় বোন। সর্বপরি সরকারী সহযোগীতা ছাড়া ফুলিকে বাচাঁনো যাবে না।

ভুক্তভোগী ফুলবানু জানায়, সে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে আবেদন করেছে। কিন্ত এখন পর্যন্ত কোন ধরনের সাহায্যের আভাস আসেনি। দুই-তিন মাস পর পর ৫ব্যাগ করে নতুন রক্ত দেওয়া লাগে। কিন্ত অর্থের অভাবে সঠিক সময়ে রক্ত দিতে পারছে না। অপরদিকে চিকিৎসক বলেছে, দ্রæত অপারেশন করতে হবে, অন্যথায় মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে। ফুলি বাচঁতে চাই, প্রধান মন্ত্রীর কাছে সাহায্যের প্রর্থানা করেছে।

পুঠিয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রবিউল করিম বলেন, সরকারী ভাবে ক্যান্সার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, স্টোকে প্যারালাইজড এবং জন্মগত হৃদরোগে জন্য বরাদ্দ রয়েছে। এই ৬টি রোগের মধ্যে যেকোন একটি রোগে অক্রান্ত হলেই ভুক্তোভোগীরা সরকারী সহযোগীতা ১লক্ষ টাকা পাবে। তবে সরকারী দপ্তর ওই ভুত্তভোগীর রোগীর সকল চিকিৎসার পরিক্ষা নিরিক্ষার রির্পোট যাচাই করে ব্যবস্থা নিবে।

পড়ুন:কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন