নেত্রকোনার কলমাকান্দায় বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন (বিকেডিএ), ঢাকা এর উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে উপজেলার স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ মুক্তি প্রি-ক্যাডেট স্কুল প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি।
বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মো. সেলিম আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং মুহাম্মদ এনামুল হক তালুকদারের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. সেলিম রেজা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কলমাকান্দায় বিকেডিএ’র উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য সংবর্ধনাতোমাদের আজকের অভাবনীয় এই সাফল্যে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত। তোমরা সবাই খুব সুন্দরভাবে পড়াশোনা করছ, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তোমাদের এই স্কুলের সুনাম ও সফলতার কথা আমি অনেক দিন ধরেই শুনে আসছি।”
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে আশার বাণী শুনিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি চেষ্টা করব এই স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য আরও জায়গা বৃদ্ধি কিংবা অবকাঠামোগত সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতা করতে। এ বিষয়ে আপনারা কোনো দুশ্চিন্তা করবেন না। আমার অবস্থান থেকে আমি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাব।”
কৃতী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, “আজ যারা নিজেদের মেধা ও শ্রমে এমন সাফল্য অর্জন করেছ, তাদের প্রত্যেকের জন্য আমার আন্তরিক শুভকামনা রইল। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে তোমরা আরও ভালো ফলাফল করবে। তোমাদের মধ্য থেকেই কেউ প্রকৌশলী, কেউ বিসিএস কর্মকর্তা, আবার কেউ চিকিৎসক হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে- এটাই আমার প্রত্যাশা।”
আলোচনা পর্ব শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র, সম্মাননা ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন। নিজেদের অর্জিত সাফল্যে পুরস্কার হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এ সময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও অতিথিদের উপস্থিতিতে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষাবিদ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও বিপুল সংখ্যক সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সুন্দর, নিরাপদ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
পড়ুন : মডেল মসজিদে অন্ধকারে নামাজ আদায় করছে মুসল্লীরা, দায়িত্ব এড়াচ্ছে দপ্তর!


