বিজ্ঞাপন

সোনারগাঁওয়ে তীব্র গ্যাস সংকট: ২০টির মধ্যে ১৮ সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় তীব্র গ্যাস সংকটে অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁও অংশে থাকা ২০টি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ১৮টিতেই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিসরে চালু থাকা মাত্র দুটি স্টেশনে গ্যাস নিতে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। গ্যাসের আশায় ভোর থেকেই চালকেরা স্টেশনগুলোতে ভিড় করলেও পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় অনেকেই খালি ট্যাংক নিয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হন। এতে পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চালকদের দৈনিক আয়ও কমে গেছে।

ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টদের দাবি, জাতীয় গ্যাস গ্রিডে চাপ কমে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না। কোথাও সীমিত পরিমাণে গ্যাস দেওয়া হলেও অধিকাংশ স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে।

টিপরদী এলাকার মধুমতি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বলেন, গ্যাসের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। যেসব স্টেশন চালু রয়েছে, সেখানেও গ্যাসের চাপ খুবই কম থাকায় দ্রুত যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

চালকদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস না পাওয়ায় তাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে এবং প্রতিদিনের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে।

পিরোজপুর এলাকার শুকতারা ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নিতে আসা প্রাইভেটকারের চালক নুর হোসেন বলেন, লাইনে দাঁড়ানোর পরও পাম্প বন্ধ হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে খালি ট্যাংক নিয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। আমাদের আগে বড় কাভার্ডভ্যানগুলোতে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, মধুমতি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নিতে আসা হাইস গাড়ির চালক আব্দুর রহমান জানান, সাধারণ সময়ে তার গাড়িতে প্রায় ১ হাজার ১০০ টাকার গ্যাস লাগে। কিন্তু সংকটের কারণে মাত্র ৩০০ টাকার গ্যাস দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালানো সম্ভব নয়।

গ্যাস সংকট দ্রুত নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী চালক ও ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : শহীদ জামালের পরিবারকে উপহার সামগ্রী দিলেন রাঙ্গাবালীর ছাত্রদল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন