বিজ্ঞাপন

বর্তমান সরকারের আমলে সবাই ভালো আছেন: বিজন কান্তি সরকার

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার বলেছেন, “বর্তমান সরকারের আমলে সবাই ভালো আছেন। বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপিকে জয়লাভ করিয়েছেন আপনারা, এখন বিএনপির পালা আপনাদের সেবা করার।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকার ধামরাইয়ের উপমহাদেশখ্যাত চারশ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকার আপনাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই কাজ পাবে। হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলে- মেয়েরাও সমানভাবে পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছে। ধামরাইয়ের ঐতিহাসিক রথযাত্রার কথা আগে থেকেই শুনেছি। ভারতের পুরীর রথযাত্রার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রথযাত্রা ধামরাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আজ হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে এই উৎসব দেখে আমি অভিভূত। এসময় তিনি বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন

যশোমাধব দেবের মন্দির ও রথ উৎসব কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নন্দ গোপাল সেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল মামুন এবং যশোমাধব মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত বণিক।

হাজার হাজার ভক্তের উপস্থিতিতে বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে উল্টো রথ টান শুরু হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা সম্পন্ন হয়। উল্টো রথযাত্রা শেষ হলেও রথ মেলা আরও ২০ দিনব্যাপী চলবে। পৌরসভা সদর এলাকাজুড়ে বসা এ মেলায় রয়েছে নাগরদোলা, সার্কাস, কুটির শিল্প, কাঁসা-পিতলের সামগ্রী, মৃৎশিল্প, শিশুদের খেলনা, শাঁখা, রসগোল্লা, প্রসিদ্ধ মিষ্টিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের দোকান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : এখন মানুষ সহযোগিতা করছে, এক-দেড় বছর পর হিসাব চাইবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন