এ প্রজন্মের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। ২০১৮ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজ অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন তিনি। গেল কোরবানি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রেশার কুকার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে তার।
এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে ডেকে নিয়ে তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। এই অভিযোগ এনে মামলাও করেছেন স্নিগ্ধা।
রোববার (২৬ জুলাই) রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় তিনি এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে স্নিগ্ধা চৌধুরী অভিযোগ করেন, বিজ্ঞাপনের একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা বলে তাকে একটি হাসপাতালে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পর ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আইনি পদক্ষেপ নেননি। পরে ন্যায়বিচারের আশায় থানায় মামলা করেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, একটি গ্রুপের চেয়ারম্যান তাকে ‘জেবা তাকিয়া’ নামে অন্য এক নারী ভেবে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। স্নিগ্ধার দাবি, ওই নারী অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন। ভুল পরিচয়ের কারণে তাকেই মারধরের শিকার হতে হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ইমন নামের একজন ব্যক্তি পরিস্থিতি শান্ত করার পরিবর্তে তাকে ওই নারীর পরিচয় স্বীকার করার জন্য চাপ দেন।
মামলায় স্নিগ্ধা দাবি করেন, নির্যাতনের সময় তার হাত-পা বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়। এছাড়া তার গলা চেপে ধরা, চুল টেনে ধরা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করার অভিযোগও করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, এতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়েছে।
খিলক্ষেত থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পড়ুন : দেশের বাজারে আরও বাড়ল সোনার দাম
সা/


