টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে জেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। তার কার্যালয়ে বসে নিজের মানিব্যাগ থেকে কেরু কোম্পানীর মদ কিনতে টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়। মঙ্গলবার এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়। এছাড়াও তার সরকারি বাস ভবনে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে পুরো জেলা জুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদক সম্পর্কে আলোচনা করছেন। এক পর্যায়ে তিনি মানি ব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে কারো হাতে দিচ্ছেন মদ কিনতে। এতে শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের কেরু নাম।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মচারি বলেন, সঞ্জয় কুমার মহন্ত একজন বড় কর্মকর্তা হয়ে কিভাবে তার কক্ষে বসেই মাদক কেনার জন্য টাকা দিলেন এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এছাড়া সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌরসভার কয়েকজন ঠিকাদার কাজ না করেই বিল নেওয়ার জন্য স্যারকে অনেক টাকা দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সুজনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ বলেন, ঘটনা সত্য হয়ে থাকলে খুবই সু:সাহসিক কাজ। উনি একজন প্রশাসনের মুখোশধারী লোক। যারা সমাজ থেকে মাদক দূর করবে এবং মাদক নিমূল করার জন্য ভূমিকা রাখবে। সরকার এক্ষেত্রে অত্যন্ত সচেতন এবং সক্রিয়। সেক্ষেত্রে রক্ষক যদি ভক্ষক হয়-এটি কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এটির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। ঘটনার সত্যতা হলে তাৎক্ষনিক শাস্তি হওয়া উচিৎ।
এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সাথে বারবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
পড়ুন : কুলাউড়ায় অবৈধভাবে সরকারি বীজ বিক্রি, ২৪ বস্তা জব্দ, বিক্রেতা কারাগারে


