বিজ্ঞাপন

প্রাথমিকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘মার্শাল আর্ট’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এরই অংশ হিসেবে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষায় ‘মার্শাল আর্ট’ অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বিজয় সরণির র‌্যাংগস ভবনে বাংলাদেশ কিয়োকুশিন কারাতে সংস্থা আয়োজিত ‘ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মার্শাল আর্ট কেবল আত্মরক্ষার কৌশল নয়, এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও ইতিবাচক মানসিকতা গঠনে সহায়ক। একজন শিক্ষার্থী যখন নিজের ওপর আস্থা অর্জন করে, তখন সে যেকোনো সহিংসতা ও সংঘাত এড়িয়ে চলতে শেখে এবং সমাজে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে।’

তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলা ও মার্শাল আর্টের প্রসার অপরিহার্য উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে কারাতে সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

সরকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী নিজের কারাতে চর্চার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, ১৯৯১ সালে কিয়োকুশিন কারাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তার কারাতে চর্চা শুরু হয়েছিল। সেই সময়ের কঠোর অনুশীলন, সহপাঠীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং ব্রেকিং প্রদর্শনীর স্মৃতি আজও তাকে অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান প্রজন্মের কারাতেকাদের পরিবেশনা তাকে তিন দশকেরও আগের স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, মার্শাল আর্ট শিক্ষার্থীদের মাঝে নেতৃত্ব ও আত্মরক্ষার সক্ষমতা তৈরির মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে ব্ল্যাকবেল্ট অর্জনকারী কারাতেকাদের মাঝে সনদ ও ব্ল্যাকবেল্ট তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় তিনি কৃতী কারাতেকাদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

পড়ুন : পুলিশের যানবাহনে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা

সা/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন