বিজ্ঞাপন

নাম বিভ্রান্তিতে বিপাকে ইউসুফ, ভুল ছবি প্রকাশের অভিযোগ

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্র নিয়ে প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনকে ঘিরে নাম ও ছবি বিভ্রান্তির অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে প্রকাশিত ছবিটি নিজের বলে দাবি করেছেন ইউসুফ নামের এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, একই নামের সুযোগ নিয়ে ভুল ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করায় তিনি ও তার পরিবার সামাজিক, মানসিক এবং ব্যক্তিগতভাবে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

নাগরিককে দেওয়া বক্তব্যে ইউসুফ বলেন, জাতীয় দৈনিকটির অনলাইন সংস্করণে তার ছবি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করছেন, এই ইউসুফ সেই ইউসুফ? এসব মন্তব্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিচিত মহলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলেও ভুল বার্তা পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, সংবাদটি প্রকাশের পর থেকে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনের অসংখ্য ফোনকলের জবাব দিতে হচ্ছে তাকে। প্রতিনিয়ত নিজের পরিচয় ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

ইউসুফের দাবি, প্রতিবেদনে তার নিরীহ ছেলেকে নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি জানান, অতীতে তার ছেলে ভুলবশত একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। পরবর্তী তদন্তে পুলিশ তাকে নির্দোষ হিসেবে শনাক্ত করে এবং ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে প্রতিবেদনও দাখিল করে। সে সময় দেশের প্রথম সারির একটি জাতীয় দৈনিক ও একটি বেসরকারি টেলিভিশনেও বিষয়টি সংবাদ হিসেবে প্রকাশ ও প্রচারিত হয়েছিল।

তার অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র দীর্ঘদিন ধরে একই নামের সুযোগ নিয়ে সাংবাদিক ও প্রশাসনের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানির চেষ্টা করছে। সর্বশেষ ওই চেষ্টার অংশ হিসেবেই প্রকৃত অভিযুক্তের পরিবর্তে তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ইউসুফ সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পুনরায় যাচাই করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত না করে কোনো ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করা হলে একজন নির্দোষ মানুষ এবং তার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও দীর্ঘদিনের সুনাম অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সরকা‌রি রাস্তা নি‌য়ে বি‌রোধে হত্যা, ছাত্রশ‌ক্তির নেতা গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন