নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের মাদকবিরোধী তৎপরতায় অব্যাহত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় কমে এসেছে মাদকসেবীর সংখ্যা। তবে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলা দিয়ে চলমান ঢাকা- সিলেট ও ঢাকা বাইপাস দুই মহাসড়ক ও শীতলক্ষ্যা, বালু নদীসহ ২ নদী দিয়ে পাইকারী মাদককারবারিরা নানা কৌশলে মাদক পরিবহন করছে। এসব মাদকের সাথে জড়িত রূপগঞ্জের চিহ্নিত কতিপয় মাদক কারবারিরা। এসব বিষয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ও র ্যাব সদস্যদের বিশেষ অভিযান থাকায় বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মাসে শুধুমাত্র রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক আন্দোলন ও থানা পুলিশের অভিযানে ধৃত মাদকসংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে সাজা দেয়ার ঘটনা প্রায় ৩ শতাধিক। এসব মাদকসেবীরা মাদকসেবন করে পাড়া মহল্লায় মাতাল হয়ে ত্রাসের সৃষ্টিসহ মাদক বিস্তার, কারবারসহ আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি করে আসছে। এসব মাদকসেবীদের মাঝে বেশ কয়েকটি নিজ মা বাবা অতীষ্ঠ হয়ে নিজ মাদকাসক্ত সন্তানদের সাজা দিতেও ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিয়ে আসেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, উপজেলা ব্যাপি মাদক দমনে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের মাদকবিরোধী তৎপরতায় মাদকসেবী কমে এসেছে অর্ধেকে৷
এদিকে গোঁপন তথ্য পেলেই মাদকের আস্তানায় ফোর্সসহ হানা দিচ্ছেন রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সদস্যরা৷ উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার মাঝে রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচ এম সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে রয়েছে বেশ কয়েকটি মাদক নিয়ন্ত্রনে আভিযানিক টীম। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি এএইচ সালাহউদ্দিন বলেন, রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক ও দুটি নদীপথে মাদক কারবারিরা তাদের অপকর্মে লিপ্ত। তবে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ তথ্য পেলেই আইনি ব্যবস্থা নিতে মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার করে কিছু আদালতে প্রেরণ করি। অনেককেই ভ্রাম্যমান আদালতের মুখোমুখি করলে নির্বাহী ম্যজিস্টেটগণ অপরাধের ভিত্তিতে দন্ড প্রদান করেন। এতে অনেকটাই মাদক কমে এসেছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, রূপগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় সরকারের নিয়মিত সেবা প্রদানের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বিষয়গুলোতেও নজরদারি রয়েছে। এ অঞ্চলে নানাকারনে তরুণদের মাঝে মাদকাসক্তের ঘটনা রয়েছে। এসব নিয়ন্ত্রণে থানা পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদক নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতে আইনগত সাজা প্রদানের পর এলাকাবাসি জানিয়েছেন মাদক কমে গেছে।এতেই স্বার্থকতা পাইলাম। মাদক নিয়ন্ত্রণে সামাজিক আন্দোলনেও সুফল পাওয়া যাচ্ছে।
পড়ুন:জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে জখম, হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
ইমি/


