বিজ্ঞাপন

ইবিতে এআই ক্রমবর্ধমান প্রভাব, সুযোগ-সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে “শেপিং আওয়ার ফিউচার: প্রিপেয়ারিং আওয়ারসেলভস টু থ্রাইভ ইন দ্য ইরা অফ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারটির উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তির প্রভাব বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এআই এখন অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ একটি বিশাল জনসংখ্যার দেশ হলেও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও মানবসম্পদের ক্ষেত্রে এখনো অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে।

আইইইই (IEEE) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের কাউন্সিলর অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোঃ ইদ্রিস আলী ও প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান।

সেমিনারের টেকনিক্যাল সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জার্মানির টিএইচএম ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাপ্লাইড সাইন্সেসের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. রহমতউল্লাহ খন্দকার।

এছাড়া “Next-Generation Signal Processing in the 6G Era: From Drone Target Precision Sensing to Auditory Assistive Solutions” বিষয়ে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকেরা অংশ নেন।

এই সেমিনারটির যৌথ আয়োজক আইইইই (IEEE) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চ এবং আইসিটি আইইউ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ।

এতে কারিগরি সহায়তা প্রদান করে স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ আইসিটি (SAICT) এবং এনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (EDGE) প্রজেক্ট। পাশাপাশি কমিউনিটি পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাইবার সিকিউরিটি সোসাইটি ও গণিত ক্লাব।

পড়ুন:সিলেটে সড়কে আবারও প্রাণহানী

ইমি/ ‎

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন