সিরাজগঞ্জে স্ত্রীকে ফিরে পেতে শিশুকে অপহরণ করায় একজনকে গ্রেফতার করেছে কাজিপুর থানা পুলিশ।
অপহৃত তৃতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্র শিপন মিয়া (১০) কে বেলকুচি উপজেলার খামার উল্লাপাড়া থেকে উদ্ধার করেছে কাজিপুর থানা পুলিশ। একইসাথে অপহরণের ঘটনায় অভিযুক্ত মোতালেব পরামানিক (৪০) কে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে ফোর্স’সহ গত (১০ আগস্ট) সোমবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জের বেলকুটি উপজেলার খামার উল্লাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোতালেব পরামানিক’কে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমেত বাচ্চাটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, “ আজকে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন। গ্রেফতার মোতালেব পরামানিক শাহজাদপুর উপজেলার নবীপুর গ্রামের মৃত ময়দান পরামানিকের ছেলে।
অপহরণের শিকার বাচ্চাটির মা বিথি খাতুন (৩০) জানিয়েছেন, গত রবিবার মোতালেব পরামানিক তার শিপন মিয়াকে তার স্কুল ভানুডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেইট থেকে অপহরণ করে। এদিকে স্কুলের সময় শেষ হলেও বাড়িতে না ফেরায় তিনিসহ পরিবারের লোকজন পুত্র শিপনকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে স্কুলের সহপাঠীরা জানায় একজন লম্বা চওড়া মানুষ শিপন’কে নিয়ে গেছে।
এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অপহৃত শিপনের মায়ের নম্বরে ফোন করেন মোতালেব। শিপনকে পেতে হলে প্রথমে সে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। একটু পরে আবারো ফোন করে শিপনের মুক্তি বিনিময়ে মোতালেব তার প্রাক্তন স্ত্রী বিলকিছকে তার হাতে তুলে দিতে বলেন।
উদ্ধার হওয়া শিপনের পিতা সবুজ মিয়া (৩৮) জানান, অপহরণ কারী মোতালেব আমার বোনের প্রাক্তন স্বামী। সে একজন খারাপ মানুষ। আগেও জেল খেটেছে। আর জেলে থাকাকালিন গত বছরের ডিসেম্বর মাসে আমার বোন তাকে ডিভোর্স দেয়। পরে আমার বোন অন্য জায়গায় বিয়ে করেছে। এসব জেনেও সে আমার বোনের পিছু ছাড়ছে না। আমার ছেলেকে অপহরণ করলে আমরা পুলিশের দারস্ত হই।
পড়ুন : সবকিছু রাষ্ট্র করে দেবে-এ মানসিকতা বদলাতে হবে: নেত্রকোনার ডিসি


