বিজ্ঞাপন

জমি নিয়ে বিরোধ: চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে চিকিৎসাধীন ব্যক্তির মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত আফতাব উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আফতাব উদ্দিন কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের ফতেপুর কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গণির ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া একই গ্রামের মৃত উছমান গণির ছেলে এবং সম্পর্কে নিহতের আপন চাচাতো ভাই।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আফতাব উদ্দিন ও তার চাচাতো ভাই ফরিদ মিয়ার পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার সকালে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফরিদ মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি নিয়ে আফতাব উদ্দিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন।

হামলায় আফতাব উদ্দিন রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আফতাব উদ্দিনের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে ফতেপুর কান্দাপাড়া গ্রামে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি ও তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ফরিদ মিয়া পলাতক রয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ‍“নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত মমেক হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সৈয়দপুর বিসিকের সিলগালা গোডাউন থেকে ২ কোটি টাকার কীটনাশক উধাও

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন